মাথায় খুশকি ভর্তি? খুব সহজ ঘরোয়া উপায়ে কী করে কমাবেন এই সমস্যা
খুশকির কারণে অকালে চুল ঝরা এবং ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দেয়। নামী-দামি অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করেও অনেক সময় স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায় না। অথচ আমাদের রান্নাঘরেই লুকিয়ে আছে এমন কিছু উপাদান, যা খুব সহজেই এই সমস্যা নির্মূল করতে পারে।
শীতকাল হোক বা বর্ষা—মাথায় খুশকির উপদ্রব এক চিরকালীন অস্বস্তির নাম। কেবল চুলকানি নয়, খুশকির কারণে অকালে চুল ঝরা এবং ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দেয়। নামী-দামি অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করেও অনেক সময় স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায় না। অথচ আমাদের রান্নাঘরেই লুকিয়ে আছে এমন কিছু উপাদান, যা খুব সহজেই এই সমস্যা নির্মূল করতে পারে।

খুশকি তাড়ানোর কার্যকর ও প্রাকৃতিক উপায় জেনে নিন।
খুশকি কেন হয়?
মাথার ত্বকে 'ম্যালাসেসিয়া' নামক এক ধরনের ছত্রাকের বংশবৃদ্ধি ঘটলে মৃত কোষগুলো জমে খুশকির সৃষ্টি করে। এছাড়া অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক, মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত শ্যাম্পু করার ফলেও এই সমস্যা বাড়ে।
খুশকি কমানোর ৫টি সহজ ঘরোয়া প্রতিকার
১. লেবুর রস ও নারকেল তেল: লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড ছত্রাক নাশক হিসেবে কাজ করে। ২ টেবিল চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে মাসাজ করুন। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। এটি মাথার পিএইচ (pH) ভারসাম্য বজায় রাখে।
২. টক দইয়ের মাস্ক: টক দই খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলের কন্ডিশনার হিসেবেও দারুণ। মাথার তালুতে ভালো করে টক দই লাগিয়ে ১ ঘণ্টা রাখুন। এরপর হালকা কোনো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার ব্যবহারে স্কাল্প পরিষ্কার থাকে।
৩. অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার: এটি খুশকির যম। সমপরিমাণ জল এবং অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে ভরুন। শ্যাম্পু করার পর ভেজা চুলে এটি স্প্রে করুন এবং ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ছত্রাকের বংশবৃদ্ধি রুখে দেয়।
৪. নিম পাতার নির্যাস: নিমে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ। এক মুঠো নিম পাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এছাড়া নিম পাতার পেস্ট সরাসরি মাথার ত্বকে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখলেও দ্রুত ফল মেলে।
৫. মেথি ভেজানো জল: রাত্রিবেলা মেথি জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে তা বেটে নিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এটি খুশকি কমানোর পাশাপাশি চুল পড়া বন্ধ করতেও সাহায্য করে।
খুশকি মুক্ত থাকতে জরুরি কিছু টিপস:
- অন্যের চিরুনি, তোয়ালে বা বালিশের কভার ব্যবহার করবেন না।
- সপ্তাহে অন্তত তিন দিন শ্যাম্পু করে স্কাল্প পরিষ্কার রাখুন।
- প্রচুর পরিমাণে জল এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার খান।
- চুলে সরাসরি হেয়ার ড্রায়ার বা গরম জল ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


