বাড়ির ভিতরেও এই জিনিসটি আছে, প্রতি বছর ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কারণ এটি

৬৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে এই তথ্য। তবে এটির প্রভাব থেকে মুক্ত নন কম বয়সিরাও।

Published on: Apr 12, 2026 5:43 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাড়ির ভিতরেও কি আপনি নিরাপদ? বাড়ির বাইরে যা যা জিনিস আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে, ভাবছেন, সেগুলি বাড়ির ভিতরে পারে না? মোটেও তা নয়। এমন অনেক কিছুই আছে, যেগুলি বাড়ির ভিতরেও সমান ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের বয়স ৬৫-র বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে এগুলো বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বাড়ির ভিতরেও এই জিনিসটি আছে, প্রতি বছর ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কারণ এটি
বাড়ির ভিতরেও এই জিনিসটি আছে, প্রতি বছর ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কারণ এটি

সম্প্রতি আমেরিকার Health Effects Institute-এ তরফে একটি গবেষণা চালানো হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, এই সমস্যাটির নাম বায়ুদূষণ। এর আগে বয়স্কদের উপর বায়ুদূষণের প্রভাব নিয়েএত খুঁটিয়ে সমীক্ষা আগে চালানো হয়নি। এই সমীক্ষার রিপোর্টে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণের মাত্রা একটু কম থাকলেই শুধুমাত্র আমেরিকাতেই ১ লক্ষ ৪৩ হাজারের কাছাকাছি মানুষের প্রাণহানী হত না।

এই ১ লক্ষ ৪৩ হাজার মানুুষের বেশির ভাগই বাড়ি থেকে খুব একটা বেরোতেন না। তাঁদের বেশির ভাগের বয়সই ৬৫-র উপরে। তবে তার মানে এই নয় যে, শুধুমাত্র বয়স্করাই এই বায়ুদূষণের কারণে প্রভাবিত হয়েছেন। এই সমস্যাটির কারণে মৃত্যুর হার কম বয়সিদের মধ্যে তুলনায় কম হলেও, তাঁদের মধ্যে নানা ধরনের রোগের পরিমাণ বেড়েছে এটির কারণে। রক্তচাপ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ফুসফুসের সমস্যা— নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে শুধুমাত্র বায়ুদূষণের প্রভাবেই।

বায়ুদূষণে বাতাসে যে অতি সূক্ষ্ম কার্বন কণা বা ভুসো ভেসে বেড়ায়। এগুলিই শরীরের ক্ষতি করতে থাকে। বাড়ির ভিতরেও এই কার্বন কণা বিপুল পরিমাণেই থাকতে পারে। সেগুলিই শেষ পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছে গবেষকমহল।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More