Fish bone removing 7 hacks: গলায় কাঁটা ফুটেছে? রইল ৭টি টোটকার হদিশ, অনায়াসে রেহাই পাবেন

Fish bone removing seven hacks: খেতে গিয়ে প্রায়ই গলায় কাঁটা ফুটে যায়। কীভাবে কাঁটা বের করা যায়, অনেকেই ভেবে পান না‌। এই প্রতিবেদনে থাকছে সাতটা টোটকার হদিশ।

Published on: Jan 20, 2026, 15:08:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মাছ খেতে বসে একটু অসাবধান হলেই মুশকিল। তাড়াহুড়ো করে খেতে গেলেই বিপদ বাড়ে। গলায় মাছের কাঁটা ফুটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রায় সব বাঙালিরই কখনও না কখনও গলায় কাঁটা ফুটেছে। কাঁটা বেশি এমন মাছ খাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা বেশি ঘটে। মাঝে মাঝে এর থেকে রেহাই পেতে বেশ ঝক্কিও পোহাতে হয়। এই প্রতিবেদনে থাকছে গলা থেকে মাছের কাঁটা বের করার সাতটি পদ্ধতির হদিশ।

গলায় কাঁটা ফুটেছে? রইল ৭টি টোটকার হদিশ, অনায়াসে রেহাই পাবেন
গলায় কাঁটা ফুটেছে? রইল ৭টি টোটকার হদিশ, অনায়াসে রেহাই পাবেন

পাতি লেবু: মাছের কাঁটা কয়েক মুহূর্তেই নরম করে দেয় পাতি লেবু। তাই কাঁটা ফুটলে একটা লেবু কাটুন। সামান্য নুন মাখিয়ে রসটা খেয়ে নিন‌। দেখা যাবে, কাঁটা নরম হয়ে নেমে গিয়েছে‌।

কলা: কলা পিচ্ছিল প্রকৃতির হয়। এটি গলা থেকে কাটা নামাতে সাহায্য করে। গলায় কাঁটা বিঁধলেই আগে কলা খান। দেখবেন কয়েক মুহুর্ত পর সব স্বাভাবিক লাগছে।

অলিভ তেল: অলিভ তেল কাঁচা খেলে কোনও অসুবিধা হয় না‌। পিচ্ছিল প্রকৃতির হওয়ায় এটি কাঁটা বের করতে সাহায্য করে। এক চামচ তেল খেলেই কাঁটা নেমে যাবে।

ভিনিগার: শুধু ভিনিগার খাওয়া ঠিক নয়। সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে এটি খেতে হবে। ভিনিগার অনেকটা পাতিলেবুর মতোই কাজ করে।

হোমিওপ্যাথি ওষুধ: কাঁটা বের করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি হোমিওপ্যাথি ওষুধ রয়েছে। সাইলেশিয়া নামের ওষুধটি বাড়িতে রাখুন। এটিই বিপদে সাহায্য করবে। বড় কাঁটা বের করতেও এটি ওস্তাদ।

সাদা ভাত: শুকনো সাদা ভাতের ছোট ছোট বল বানিয়ে ফেলুন। এবার বলগুলো একটা একটা করে গিলে ফেলতে হবে। ভাতের সঙ্গেই নেমে যাবে কাঁটা।

গরম জল: গরম জলও কাঁটা বের করতে সাহায্য করে। সামান্য নুন মিশিয়ে জলটা খেয়ে নিন। দেখবেন, কাঁটা নেমে গিয়েছে।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More