Spices that increase body heat: ৫ মশলা খেলেই গরম হয় শরীর, হাঁসফাঁস দশা এড়াতে এগুলি ছাড়াই রাঁধুন দুপুরের পদ
গরমে এমনিই হাঁসফাঁস দশা। পাঁচ মশলা দিয়ে রাঁধা পদ খেলে আরও বাড়ে সেই সমস্যা। শরীর ভালো রাখতে তাই এই পাঁচ মশলা ছাড়াই রাঁধুন দুপুরের পদ।
গরমে এমনিই হাঁসফাঁস দশা। পাঁচ মশলা দিয়ে রাঁধা পদ খেলে আরও বাড়ে সেই সমস্যা। শরীর ভালো রাখতে তাই এই পাঁচ মশলা ছাড়াই রাঁধুন দুপুরের পদ।

লাল লঙ্কা: ঝাল খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। চুটিয়ে লঙ্কা চিবিয়ে খেতে পারেন তাঁরা। কিন্তু গরমকালে লঙ্কা যত খাবেন, ততই শরীর গরম হবে। তাই গ্রীষ্মের দুপুরে লঙ্কাটা এড়িয়ে চলুন।
মরিচ: মরিচ দিয়ে রাঁধা পদ খেতে বেশ লাগে। যেন আলাদাই স্বাদ। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতেও গরম হয় শরীর। তাই মরিচ রাঁধা পদ এড়াতে পারলেই ভালো।
দারচিনি: শরীর গরম করার আরেকটি মশলা হল দারচিনি। শীতকালে খেলে দারুণ উপকার। কিন্তু গরমকালে না খাওয়াই ভালো। হাঁসফাঁস দশা এড়াতে হলে এটা ছাড়াই রান্না করুন।
গরম মশলা: নামেই আছে গরম মশলা। ফলে শরীর গরম তো হবেই। শরীর একটু ঠান্ডা রাখতে হলে গরম মশলার বদলে অন্য ফোড়ন দিন। এতে স্বাদবদলও হবে। শরীরও ভালো থাকবে।
আদা: আদা এমনিতে শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের কথায়, এও শরীর গরম করে। এর ফলে আদা দিয়ে রান্না করা পদ খেলে দেহের ভিতরের উষ্ণতা বেড়ে যাবে। আর তা থেকে গরমে শরীর হাঁসফাঁস।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


