Foods to improve eyesight: কমছে দৃষ্টিশক্তি? বয়স বাড়লে খেতেই হবে চোখের এই সুপারফুডগুলি
Foods to improve eyesight: বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হল চোখের সমস্যা।
Foods to improve eyesight: বয়স বাড়ায় দৃষ্টি শক্তি দুর্বল হতে শুরু করে। এখানে এমন কয়েকটি সুপারফুড সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়, যা আপনার চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

- গাজর- চোখকে সুস্থ রাখার জন্য সবার আগে গাজরের নামই মাথায় আসে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ অনুযায়ী গাজরে উপস্থিত ভিটামিন এ এবং বিটা ক্যারোটিন চোখের পক্ষে উপযোগী। বিটা ক্যারোটিন গাজরের কমলা রঙের জন্য দায়ী। দৃষ্টিশক্তি মজবুত করতে ভিটামিন এ অত্যন্ত উপযোগী উপাদান। এটি রোডোপ্সিন নামক প্রোটিনের ঘটক, যা প্রকাশ শোষণে রেটিনাকে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন গাজর খাওয়া উচিত।
- ড্রাই ফ্রুট ও বীজ- ড্রাই ফ্রুট ও বীজ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। আবার ড্রাই ফ্রুটে উচ্চ পর্যায়ের ভিটামিন ই থাকে, যা বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা থেকে রক্ষা করে। অধিকাংশ ড্রাই ফ্রুট প্রোটিন ও ফাইবারে সমৃদ্ধ, যা চোখের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। তাই আখরোট, কাজু চিনাবাদাম ও চিয়া বীজ ইত্যাদি খেতে পারেন।
- টক ফল- টক ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এনসিবিআই-র মতে, এই ভিটামিনটি চোখের স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো। ভিটামিন সি এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা বার্ধক্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত চোখের সমস্যার মোকাবিলায় সাহায্য করে। নিজের দৈনিক খাদ্য তালিকায় স্ট্রবেরি, কমলালেবু, আঙুর ইত্যাদি ফল অন্তর্ভূক্ত করুন।
- ডাল- জিঙ্ক ও প্রোটিনের উল্লেখযোগ্য উৎস ডাল। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে মুসুর ডাল। ডালে সম্পৃক্ত ফ্যাট থাকে না। যা স্বাস্থ্যের পক্ষেও উপকারী।
- ডিম- ডিম লিউটিন ও জ্যাক্সেন্থিনের ভালো উৎস। এই উপাদান দুটি বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি কম করতে পারে। এ ছাড়াও ডিমে ভিটামিন সি, ই, জিঙ্ক উপস্থিত। এ সমস্ত ভিটামিনকেই চোখের পক্ষে উপকারী মনে করা হয়।
- সবুজ শাকসবজি- দৃষ্টিশক্তি উন্নত করার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ উপস্থিত থাকে সবুজ শাকসবজিতে। ভিটামিন সি, লিউটিনে ভরপুর সবুজ শাকসবজি, যা চোখের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্যারটিনয়েড। পালক শাক আপনার মাংসপেশী মজবুত করার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তিও বাড়াবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


