Home Remedies for Grey Hair: কম বয়সেই চুল পেকে যাচ্ছে? ঘরোয়া উপায়ে কমাবেন কী করে?
অনেকেরই কম বয়সে চুল পেকে যায়। কী করে এই সমস্যা কমাবেন?
একটা সময় ছিল, যখন অনেকেরই ৫০ পেরোলে চুলে পাক ধরতে শুরু করত। কিন্তু এখন পরিবেশ দূষণ এবং আধুনিক জীবনযাত্রার চাপ ও অনিয়মের ফলে ২৫ পেরোতে না পেরোতেই কালো চুলের ফাঁকে উঁকি মারতে শুরু করে সাদা চুল। আর যত সময় যায় তত যেন এদের সংখ্যা বাড়তেই থাকে।

এমন পরিস্থিতিতে ছেলে হোক মেয়ে, চুলের দুশ্চিন্তায় তাঁদের রাতের ঘুম উড়ে যায়। জিনগত কারণ, স্ট্রেস, ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি, হাইপোথাইরয়েডিজম, ভিটিলিগো, ধূমপান, পুষ্টির ঘাটতি, পার্নিসিয়াস অ্যানিমিয়া, পরিবেশ দূষণ এবং চুলের যত্ন ঠিক মতো না নেওয়া প্রভৃতি হল অসময়ে চুলে পাক ধরার কারণ।
তবে আর চিন্তা নেই। এখানে এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি দেওয়া হল, যেগুলি অনুসরণ করলেই দেখবেন, একটাও সাদা চুল আপনি অকালে দেখতে পাবেন না।
- নারকেল তেল: চুলের যত্নে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে একটা বাটিতে সমপরিমাণে নারকেল তেল এবং লেবুর রস নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর মিশ্রণটা মাথার ত্বকে লাগিয়ে ভালো করে কয়েক মিনিট মাসাজ করুন। এই পদ্ধতিতে চুলের যত্ন নিলে চুল তো পাকবেই না, সেই সঙ্গে চুলের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যও ফিরে আসে।
- পেঁয়াজ: এতে উপস্থিত বিশেষ কিছু এনজাইম আছে যা পাকা চুলের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি চুল পড়া কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে পরিমাণমতো পেঁয়াজ থেকে রস সংগ্রহ করে সেটা চুলে ও মাথার ত্বকে লাগাতে হবে।
- হেনা ও মেথি: একটা বাটিতে ২ চামচ হেনা পাউডার, ১ চামচ মেথি বীজ এবং ১ চামচ দই মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি প্রতিদিন চুলে লাগাতে শুরু করুন। এমনটা করলে সাদা চুল নিয়ে আর চিন্তায় থাকতে হবে না। ইচ্ছা হলে নারকেল তেলের সঙ্গে হেনা পাউডার মিশিয়েও চুলে লাগাতে পারেন। এ ক্ষেত্রেও সমান উপকার পাওয়া যায়।
এই উপাদান গুলো ছাড়াও আরও কিছু দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তন আনতে হবে, তবেই দূর হবে চুলের অকালপক্কতা।
- ডায়েটে প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি এবং ফলমূল অন্তর্ভুক্ত করুন।
- স্ট্রেস ও ধুমপান কমান। অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেওয়া পাকা চুলের কারণ।
- চুলে অত্যাধিক কেমিকেল জাতীয় পণ্যের ব্যবহার কমান।
- প্রতিদিন শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকুন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


