Healthy Breakfast to Reduce Belly Fat: তাড়াতাড়ি ভুঁড়ি কমাতে চান? জলখাবারে এগুলি খান, কয়েক দিনেই পেটের মেদ কমবে
Healthy Breakfast to Reduce Belly Fat: ভুঁড়ি কমাতে খাওয়া কমাতে হবে না। বরং বেছে বেছে জলখাবারে এই খাবারগুলি খান। তাহলেই কমবে পেটের মেদ।
Healthy Breakfast to Reduce Belly Fat: শরীরের যে অংশে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি মেদ জমে, সেটি হল পেট। আর এই পেটের মেদ কমানোও সবচেয়ে কঠিন। ভুঁড়ি একবার বেড়ে গেলে, বহু কষ্ট করে তাকে কমাতে হয়। কী ভাবছেন? ভুঁড়ি কমানোর জন্য খাওয়া কমাবেন? মোটেই তার দরকার নেই। বরং জলখাবারে কয়েকটি খাবার বেশি করে খেলে কমবে ভুঁড়ি। দেখে নিন, সেগুলি কী কী।

- ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার হল ওটমিল। প্রচুর ফাইবার এবং প্রোটিনযুক্ত এই খাবারটি নিয়মিত খেলে ভুঁড়ি কমতে পারে।
- পনির ভুর্জি এমনই আর একটি খাবার। এটি জলখাবারে খেলেও কমতে পারে ভুঁড়ি। তবে এর সঙ্গে সামান্য মশলা আর কিছু কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে নিতে পারেন।
- ভুঁড়ি কমানোর জন্য নিয়মিত জলখাবারে খেতে পারেন পোহা। এতে পেট ভর্তি থাকে অনেক ক্ষণ। ফলে আর খিদে পায় না। তাতে পেটের মেদ কমে দ্রুত।
- উপমাতে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন আর কার্বোহাইড্রেট থাকে। ফলে এটি পেট ভর্তি রাখে দীর্ঘ ক্ষণ। ওজন কমাতে এবং ভুঁড়ি কমাতে দারুণ কাজে লাগে এটি।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


