Bhetki or Sea Bass or Barramundi Fish: ভেটকি খেতে দারুণ, কিন্তু খেলে শরীরে কী হয়, জানা আছে? ২ মিনিটে জেনে নিন

Bhetki or Sea Bass or Barramundi Fish: ভেটকি মাছ খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। কিন্তু এই মাছ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে জানেন কি?

Published on: Feb 23, 2026, 10:36:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভেটকি অতি পরিচিত একটি মাছ। মাছের বাজারে গেলে এই মাছ কমবেশি সারা বছরই চোখে পড়ে। এটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। এই মাছে নানা পদও রান্না হয় বাড়িতে। তার মধ্যে পাতুরির তো জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। কিন্তু এই মাছ খেলে কী হয়? কখনও খোঁজ নিয়েছেন।

ভেটকি খেতে দারুণ, কিন্তু খেলে শরীরে কী হয়, জানা আছে? ২ মিনিটে জেনে নিন
ভেটকি খেতে দারুণ, কিন্তু খেলে শরীরে কী হয়, জানা আছে? ২ মিনিটে জেনে নিন

ভেটকি মাছে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলি শরীরের উপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। কাদের শরীরে এই মাছের কেমন প্রভাব পড়ে, সেটি মাছ খাওয়ার আগেই জেনে নিতে পারেন। তার আগে দেখে নেওয়া যাক, এই মাছে কী কী উপাদান রয়েছে।

এই মাছে উন্নতমানের প্রোটিন, ওমেগা ৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। ভেটকিতে ভিটামিন এ, বি এবং ডি, খনিজ পদার্থ, ক্যালসিয়াম, জিংক, লৌহ, পটাসিয়াম, ম্যাগনিসিয়াম এবং সিলেনিয়াম যথেষ্ট পরিমাণে থাকে। সব মিলিয়ে এই মাছ বিভিন্ন উপাদানে ঠাসা। এবার দেখে নেওয়া যাক, যিনি এই মাছ খাচ্ছেন, তাঁর শরীরে এর প্রভাব।

প্রোটিন, ওমেগা ৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এগুলি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে যাঁদের বয়স বেশির দিকে, তাঁরা এই মাছ খেলে উপকার পেতে পারেন।

এই মাছের ভিটামিন এ, বি এবং ডি, খনিজ পদার্থ, ক্যালসিয়াম, জিংক, লৌহ, পটাসিয়াম, ম্যাগনিসিয়াম এবং সিলেনিয়াম শরীর গঠন ও বৃদ্ধির কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে বয়স্কদের পাশাপাশি কম বয়সিদের জন্যও ভেটকি হয়ে উঠতে পারে দারুণ একটি মাছ।

এক জন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির সারা দিনে গড়পড়তা ৪৬ থেকে ৫৬ গ্রাম প্রোটিন দরকার হয়। ভেটকিমাছের ৬ আউন্স ফিলেতে প্রোটিন আছে ৩৫ গ্রাম। ফলে একজন পূর্ণ বয়স্কর পেশির গঠন এবং শক্তির আধার হিসাবে এই মাছ দারুণ কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।

এই মাছ আরও একটি উপকার করতে পারে। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের গুরুত্বপূর্ণ ভাণ্ডার ভেটকিমাছ। এই উপাদানটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদরোগ, ক্যানসার এবং অন্যান্য মস্তিষ্কের অসুখের আশঙ্কা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি একটি দারুণ গুণ।

ভেটকি মাছে ফ্যাট বা স্নেহজাতীয় পদার্থের পরিমাণ অত্যন্ত কম। স্যাচুরেটেড ফ্যাট নেই। কোলেস্টেরলের পরিমাণ মাত্র ৭০ মিলিগ্রাম। তাই ব্যালান্সড ডায়েটে রাখতেই পারেন এই মাছ। ফ্যাটজাতীয় উপাদান অত্যন্ত কম বলে যাঁরা রোগা হওয়ার জন্য ডায়েটিং করছেন, তাঁরা নিয়মিত খেতে পারেন এই মাছ।

এছাড়াও এই মাছের কিছু উপাদান দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে এবং গাঁটের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে। তাই সব মিলিয়ে ভেটকিকে মহৌষধি হিসাবেও ধরা হয়। ফলে বাড়িতে নিয়মিতই খেতে পারেন এই মাছটি।

তবে মনে রাখবেন, সব খাবার বা সব মাছ সকলের জন্য এক রকম ভাবে কাজ করে না। তাই কোনও সমস্যায় সবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে। এবং কোন মাছ আপনার খাওয়া উচিত বা খাওয়া উচিত নয়— সেটি চিকিৎসকের থেকে ভালো করে জেনে নিয়ে তবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More