Cholesterol Issue: কোলেস্টেরল কমাতে এই পানীয়গুলি দারুন উপকারী! দেখে নিন তৈরির সহজপন্থা
কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে টমাটো। কোষ বিনষ্ট হতে দেয়না এই টমাটো। টমাটোর জুস বাড়িতে বানিয়ে নিলে তা কোলেস্টেরোলের রোগীর পক্ষে খুবই ভাল পোথ্য।
হার্টকে বিপন্মুক্ত রাখতে কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। যদি রক্তে স্নেহপদার্থ বেড়ে যায়, তাহলে হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়ার মতো সমস্যা দানা বাঁধে। নিত্য়দিনের ব্যায়াম ছাড়াও সঠিক ডায়েট প্রয়োজন এই সমস্যা কাটিয়ে নিতে। তবে ব্যস্ততার জীবনে স্বাদমতো খাবার খেতে গিয়ে অনেকেই পুষ্টিকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেন। আর কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই পুষ্টিগুণই খুব কার্যকরী। কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে যে সমস্ত শরবত বা বাড়িতে বানানো পানীয় খাওয়া যায়, তার তালিকা নিচে দেওয়া হল।

টমাটো জুস
কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে টমাটো। কোষ বিনষ্ট হতে দেয়না এই টমাটো। টমাটোর জুস বাড়িতে বানিয়ে নিলে তা কোলেস্টেরোলের রোগীর পক্ষে খুবই ভাল পোথ্য। টমাটো পিউরিতে সামান্য নুন আর গোলমরিচ দিয়ে এই জুস খাওয়া যেতে পারে।
প্ল্যান্ট মিল্ক স্মুদি
প্ল্যান্ট বেসড মিল্ক থেকে কোলেস্টেরল কমে যেতে পারে। সয় মিল্ক, আমন্ড মিল্ক, ওট মিল্ক এর অন্যতম উদাহরণ। এগুলিতে সামান্য চিনি ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে গরমের দিনে পান করাই যেতে পারে। এতে শরীরে আসে শক্তিও।
গ্রিন টি
এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পানীয় খারাপ, বা এলডিএল কোলেস্টেরল কমিয়ে মোট কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে। গ্রিন টি কোলেস্টেরল ব্যবস্থাপনা, ওজন হ্রাস এবং অনাক্রম্যতা বৃদ্ধির মতো বেশ কিছু স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করে। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং নিরাপদে ডায়েটে যোগ করা যেতে পারে।
স্ট্রবেরি জাতীয় ফলের শরবত
কিছু স্বাস্থ্যকর বেরি স্মুদি যা আপনি ঝটপট বাড়িতে তৈরি করতে পারেন তা হল স্ট্রবেরি স্মুদি, ব্লুবেরি স্মুদি, ব্ল্যাকবেরি স্মুদি ইত্যাদি৷ উপরন্তু, আপনি এই বেরিগুলিকে একত্রিত করে একটি বেরি রাশ স্মুদি তৈরি করতে পারেন৷
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


