Parenting Tips: সন্তানকে কত ক্ষণ ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করতে দেবেন? এর বেশি হলে কী ক্ষতি হবে
এখনকার জীবন অনেক ডিজিটাল মাধ্যম নির্ভর হয়ে গিয়েছে। বড়দের থেকেও এর ফলে বেশি সমস্যা হচ্ছে ছোটদের। কত ক্ষণ মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করতে দেবে শিশুদের?
এখন বড়দের জীবন বেশি করে ডিজিটাল মাধ্যম নির্ভর হয়েছে। ছোটরাও এর ব্যতিক্রম নয়। বরং ডিজিটাল মাধ্যমগুলির প্রভাব আরও বেশি করে পড়েছে ছোটদের উপর। কারণ পড়াশোনা থেকে শুরু করে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ— বেশির ভাগটাই এখন ডিজিটাল মাধ্যমে।

এর ফলে নানা রকমের সমস্যা বাড়ছে ছোটদের মধ্যে। সম্প্রতি শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই অতিরিক্ত Screen Time বা মোবাইল এবং কম্পিউটার ব্যবহার শিশুদের নানা সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
কী কী সমস্যা হচ্ছে এর ফলে?
- এই জাতীয় ডিজিটাল মাধ্যম থেকে এক ধরনের নীল আলো বিচ্ছুরিত হয়। এত ঘুম কমে যায়। তাতে বাড়ে মেদ। কমে যায় খাবার হজম করার ক্ষমতা।
- মনোবিদরা বলছেন, এই ধরনের যন্ত্র অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে শিশুদের মনের ভাব প্রকাশের ক্ষমতা, অন্যদের সঙ্গে ভাবের আদানপ্রদানের ক্ষমতা কমে যায়। মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রেও সমস্যা হয়।
- বহু শিশুর কথা বলার ক্ষেত্রেও সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এই যন্ত্রগুলির অতিরিক্ত ব্যবহার।
- এই ধরনের যন্ত্র নিয়ে বেশি ক্ষণ সময় কাটানোর ফলে খেলাধুলোর সময় কমতে থাকে। তাতে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে শিশুদের।
- কোলেস্টেরল বা হৃদরোগের আশঙ্কা শিশুদের মধ্যে বাড়তে পারে কি না, তার প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। কিন্তু অন্য যে সমস্যাগুলি দেখা দিচ্ছে, তার প্রভাবে এই দু’টি সমস্যা বাড়েতেই পারে। তেমনই বলছেন চিকিৎসকরা।
কত ক্ষণ শিশুদের মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করতে দেবেন?
- ৬ বছর বা তার বেশি বয়সের শিশুদের: দৈনিক ২ ঘণ্টার বেশি নয়। পড়াশোনা এবং বিনোদন মিলিয়ে এই সময়ের বেশি ব্যবহার করতে দেবেন না। যদি পড়াশোনায় এই সময়টি লেগে যায়, তাহলে মোবাইল নির্ভর বিনোদন বন্ধ করতে হবে।
- ২ বছর থেকে ৫ বছরের মধ্যে শিশুদের: দৈনিক ১ ঘণ্টার বেশি নয়। সেটিও শুধু পড়াশোনা বা কিছু শেখানোর জন্য। এই ধরনের যন্ত্র নির্ভর বিনোদন তাদের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না।
- ১৮ মাস থেকে ২ বছরের মধ্যে শিশুদের: সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার তাদের হাতে এই জাতীয় যন্ত্র দেওয়া যাবে। তাও শুধুমাত্র কিছু শেখানোর জন্য। এবং ১ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়।
- ১৮ মাসের নীচে: এই বয়েসর শিশুদের হাতে কখনও মোবাইল ফোন দেওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাতে শিশুর চোখ এবং মস্তিষ্কের ভয়ানয় ক্ষতি হতে পারে। এই বয়সে সবচেয়ে দ্রুত মস্তিষ্কের বিকাশ হয়। সেই বিকাশও থমকে যেতে পারে এর ফলে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


