শীতের দুপুরের মিঠে রোদ মেখে নুন ঝালের সঙ্গে পেয়ারায় কামড় বসিয়ে অনেকেই খোশ গল্পে মেতে ওঠেন! কিম্বা পেয়ারার ঝাল চাট হাতে নিয়ে বন্ধুরা বসে আড্ডায় মশগুল হয়ে থাকেন বহু জায়গাতেই। বহু গৃহস্থে একগুচ্ছ পাকা পেয়ারা জমে গেলেই তা দিয়ে তৈরি হয়ে যায় পেয়ারার জেলি! তবে, সব পেয়ারা যে মিষ্টি হয় তা নয়! তাহলে কীভাবে জানা যাবে যে কোন পেয়ারা মিষ্টি, আর কোনটি নয়?

দেখে নেওয়া যাক, মিষ্টি পেয়ারা কীভাবে চিনে ফেলা যায় সহজে। পেয়ারার কোন কোন বৈশিষ্ট দেখে তা মিষ্টি কিনা চিনে ফেলা যায়, তা দেখে নিন।
পেয়ারার গন্ধ বলে দেয়, তা মিষ্টি কী না!
মিষ্টি পেয়ারার একটি মনোরম, প্রাকৃতিক সুবাস থাকে। যদি ফলটি গন্ধহীন থাকে, তাহলে এটি কাঁচা বা ব্যবহারের অযোগ্য হতে পারে।
পেয়ারার আকার বা ওজন দেখেও চেনা যায়?
{{/usCountry}}পেয়ারার আকার বা ওজন দেখেও চেনা যায়?
{{/usCountry}}হালকা বা স্বাভাবিক ওজনের পেয়ারা কেনা ভালো। খুব বড় বা ভারী পেয়ারার বীজ শক্ত এবং মিষ্টি কম হতে পারে। ফলত, যে পেয়ারা হালকা বা মাঝারি গড়নের সেটিতে কামড় বসিয়ে আপনি আরাম পেলেও পেতে পারেন!
দাগ ওয়ালা পেয়ারা কি ভালো?
নরম পেয়ারা ভেতর থেকে মিষ্টি হবে, কিন্তু এতে পোকামাকড়ের আক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। দাগ, দাগ বা রুক্ষতা আছে এমন পেয়ারা কেনা এড়িয়ে চলুন। খাওয়ার আগে ফল ধুয়ে ফেলুন, কারণ এতে কীটনাশক স্প্রে বা সার থাকতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
ভিতরে লাল নাকি সাদা… কী দেখে বুঝবেন?
যে পেয়ারা সাদা হয়, তার বাইরের দিকটি সাধারণত গাঢ় সবুজ রঙের হয়। তবে সেই পেয়ারা পাকলে তা হলদে রং ধারণ করে। যে পেয়ারার ভিতরের অংশটি লালচে বা গোলাপি, সেটির বাইরের অংশটি সাধারণত কাঁচা অবস্থাতেই হলদেটে ধরনের সবুজ রঙের হয়। পাকলে তা পুরোপুরি হলুদ রঙের হয়ে যায়।
(বি.দ্র.- বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অবশ্যই নিন। এই প্রতিবেদন সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। )