Fitness Tips for Brain Health: মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা আরও বাড়িয়ে নিতে চান? অভ্যাসে রাখুন এই জিনিসগুলি

Fitness Tips for Brain Health: মস্তিষ্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত হানিকারক অতিরিক্ত মদ্যপান। এতে হ্যালুসিনেশন, স্মৃতি ভ্রংশ সহ অ্যালজাইমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়াও ধূমপান থেকে বিরত থাকাও প্রয়োজনীয়।

Published on: May 14, 2026, 13:32:34 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Fitness Tips for Brain Health: কথায় বলে মনের বয়সেই মেলে একজন মানুষের আসল বয়সের পরিচয়! আর 'মনের বয়স' ঠিক রাখতে 'মাথার বয়স'কে ঠিক রাখা জরুরি। আর 'মাথা' বা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে জরুরি বেশ কয়েকটি অভ্যাসের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মস্তিষ্ককে যত বেশি খাটাবেন ততই তার কার্যকরী ক্ষমতা বাড়বে। আর তার জন্য কখনওই কর্মপ্রক্রিয়ার বাইরে থাকা উচিত নয়। যদি কোনও কিছু করার না থাকে,তাহলেও নতুন কোনও ভাষা শেখা বা আঁকা শেখা , এমন ধরনের একাধিক কাজের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে রাখলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

মস্তিষ্ক চাঙ্গা রাখতে অভ্যাস করে ফেলুন এই বিষয়গুলির! কিছু টিপস একনজরে
মস্তিষ্ক চাঙ্গা রাখতে অভ্যাস করে ফেলুন এই বিষয়গুলির! কিছু টিপস একনজরে

শিখুন নতুন ভাষা

নতুনত্ব সকলেরই পছন্দ। আর মস্তিষ্কের ক্ষেত্রেও সেই ফর্মুলা খাটে। ফলে নতুন কিছু শেখা বা করার ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে ভালো প্রভাব পড়ে। গ্লোবাল হসপিটালের নিউরো ক্রিটিকাল কেয়ারের ডক্টর শিরিশ হস্তক বলছেন, 'আপনি আগে শেখেননি এমন একটি ভাষা শেখার চেষ্টা করুন বা আপনার মস্তিষ্ককে সুস্থ ও সুস্থ রাখতে একটি নতুন বাদ্যযন্ত্র শিখুন৷ সঙ্গীত মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করে এবং মানুষকে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগ করতে দেয়৷'

আঁকা শেখা

সৃষ্টিশীলতায় মস্তিষ্ক চিরকালই ভীষণভাবে আরাম পায়। ফলে রোজের রুটিনে যদি খানিকটা সময় আঁকার জন্য বা আঁকা শেখার জন্য ব্যয় করা যায়, তাহলে ক্লান্তি থেকে যেমন মুক্তি পাওয়া যায়, তেমনই মস্তিষ্ককে সচল রাখা যায়। যদি কেউ কাজকর্ম না করে দিনের পর দিন উদাসীন থেকে যান, তাহলে তাঁর মস্তিষ্কের সচলতা নিয়ে বিপদ হতে পারে বলে সচেতন করছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক সময় এই আঁকা শেখার হাত ধরে বহু যুগান্তকারী পরিবর্তন দেখা যায়, অনেকের জীবনে।

মদ্যপান ও ধূমপান থেকে দূরে

মস্তিষ্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত হানিকারক অতিরিক্ত মদ্যপান। এতে মস্তিষ্ক সংকুচিত হতে পারে। এতে হ্যালুসিনেশন, স্মৃতি ভ্রংশ সহ অ্যালজাইমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়াও ধূমপান থেকে বিরত থাকাও প্রয়োজনীয়। এতে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বেড়ে যায়। যিনি ধূমপান করছেন, তাঁর সমস্যা ছাড়াও আশপাশে বসে থাকা সকলেরই এই সমস্যা হয়ে যেতে পারে। ধূমপান রক্তের ধমনীর গঠনকে প্রভাবিত করে, যার ফলে সারা শরীর এবং মস্তিষ্কে রক্ত ​​চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে।

কোন কোন খাবার প্রয়োজনীয়?

মস্তিষ্ককে আরও বেশি কার্যকরী করতে ওমেগা থ্রি, প্রচুর শাক সবজি, ভিটামিন, মিনারেল, ফল, বীজ জাতীয় খাবার, আখরোট, বাদাম ইত্যাদি ডায়েটের মধ্যে রাখতে হবে।

ঘুমের প্রয়োজন

ভালো ঘুম না হলে কিছুতেই কার্যকরী হবে না মস্তিষ্ক। ঘুমের বঞ্চনা মানসিক রোগ যেমন হতাশা এবং উদ্বেগ অর্জনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

গান শেখা

মস্তিষ্ককে সচল রাখতে গান শেখা অত্যন্ত জরুরি একটি অভ্যাস। নতুনত্ব ধরে রাখতে এই অভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। এতে মস্তিষ্ক আরও সচল হয়ে থাকে।

কর্মঠ হওয়া

মনের মধ্যে চিরকালই কৌতূহলি সত্ত্বাকে জাগ্রত রাখা ভাল। এতে প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কে। এছাড়াও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাঁটা ,চলা, খেলা, সাঁতার, টেনিস, ইত্যাদি কাজের ক্ষেত্রে হালকা অ্যারোবিক অ্যাক্টিভিটি মস্তিষ্ককে সচল রাখে। এছাড়াও সামাজিক মেলামেশা খুবই জরুরি।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More