Curd Recipe: বাড়িতেই পাততে পারেন দই, দোকান থেকে কেনা দইয়ের সঙ্গে কোনও ফারাক পাবেন না
Curd Recipe: দোকান থেকে কেনা দই তো সব সময়েই খান। বাড়িতেও বানিয়ে ফেলতে পারেন একই মানের দই। তাও খুব তাড়াতাড়ি। কীভাবে জানেন?
Curd Recipe: দই অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। এতে নানা ধরনের ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ডায়াবাটিসের সমস্যা কমানো থেকে শুরু করে, ওজন কমানোর মতো বিষয়ে সাহায্য করে দই।

কিন্তু সব সময়ে দোকান থেকে দই কিনতে ইচ্ছা করে না। কারও কারও মনে হয়, বাড়িতে দই পাততে। কিন্তু বাড়িতে পাতা দই কখনও দোকানের মতো হয় না বলেও অভিযোগ করেন অনেকে।
দই বানানোর সহজ নিয়ম প্রথমেই জেনে নিন:
- ১ লিটার দুধে ১ কাপ জল মিশিয়ে মাঝারি আঁচে মিনিট পাঁচেক জ্বাল দিন।
- দুধ ফুটে উথলে উঠলে আঁচ কমিয়ে আরও ১৫ মিনিট জ্বাল দিন।
- হাতা দিয়ে দুধটা মাঝেমধ্যে নাড়তে থাকুন।
- দুধ ঘন হয়ে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। এবার দুধটা ঠান্ডা করুন।
- দই পাতার পাত্রে দুধটা ঢেলে নিয়ে হাল্কা গরম থাকতে থাকতে, ১ চামচ পুরনো দই ওর মধ্যে মিশিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন।
- দই পাতার পাত্রটি চাপা দিয়ে রেখে দিন।
- ৪-৫ ঘণ্টা সময় লাগবে দই পাততে।
- তার পরে সেটি তুলে ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিন।
অনেকেই খুব যত্ন করে দই পাতলেও ঠিক মতো জমে না। সেক্ষেত্রে কী করবেন? রইল কয়েকটি সহজ টিপস:
- দই পাতানোর পাত্রটি নাড়াচাড়া করবেন না। যত ক্ষণে দই পাতা হবে, সেই ৪-৫ ঘণ্টা ওটি স্পর্শ করবেন না।
- দই পাতার সময়ে বাতাসের উষ্ণতা কমে গেলে মুশকিল। পারলে দই পাতার পাত্রটিকে আগে থেকে মোটা কাপড় বা উলের কিছু দিয়ে মুড়ে দিন। তাতেই দই তাড়াতাড়ি জমবে।
- দই পাতার সময়ে তার মধ্যে একটি কাঁচা লঙ্কা দিয়ে দিতে পারেন। লঙ্কার মধ্যে থাকা কিছু ব্যাকিটিরিয়া দই তাড়াতাড়ি জমিয়ে দেবে। তবে মনে রাখবেন, লঙ্কা যেন গোটা থাকে। কোথাও ফাটা না থাকে এবং লঙ্কার ডাঁটাটিও যেন ওর সঙ্গে থাকে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


