Garlic Water for Gardening: ইয়াব্বড় ফুল-ফল ধরবে গাছে, আসবে না পোকা-পিঁপড়ে, শুধু সঠিকভাবে গাছে দিন রসুন জল
বাড়িতে শাক-সবজি বা ফলের গাছ লাগালে, তাতে খুব বেশি রাসায়নিক ব্যবহার না করাই ভালো। তার থেকে অরগ্যানিক উপায়ে নিন গাছের যত্ন। সকালে বা বিকেলে গাছে দিন রসুনের জল। দেখে নিন কীভাবে বানাবেন-
আপনি কি জানেন যে গাছের বৃদ্ধিতে রসুনের জল দুর্দান্ত কাজে আসে? রসুন হল রান্নাঘরের একটি সাধারণ উপাদান, কিন্তু এটাই উদ্ভিদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর এবং কীটপতঙ্গমুক্ত পরিবেশ তৈরি করার ক্ষেত্রে রামবাণ হতে পারে। রসুনের জল গাছে পুষ্টি যোগ করে, গাছের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে, কীটপতঙ্গ দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

কীভাবে উপকার করে রসুন?
রসুন সেলেনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন সি এবং ম্যাঙ্গানিজের সমৃদ্ধ উৎস । এটি ক্যালসিয়াম, আয়রন, কপার এবং পটাসিয়ামও দিতে পারে। এই সমস্ত পুষ্টি উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে ভীষণ উপকারী।
আসলে গাছে রাসায়নিক ব্যবহার যত কম করা যায় ততই ভালো। বিশেষ করে বাড়িতে যারা ফল বা সবজির গাছ লাগান তাঁদের জন্য। রসুনের জল গাছে পুষ্টি যোগ করে, গাছের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে, কীটপতঙ্গ দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রসুন মাটিকে উর্বর করতেও কাজ করে। এটি ফসফরাস সমৃদ্ধ, গাছের বৃদ্ধিতে যা সহায়ক। এবং পটাসিয়াম, যা আপনার গাছের পাতা, ফল এবং ফুলকে তাদের সর্বোত্তম আকারে রাখে।
কীভাবে বানাবেন রসুন জল?
প্রথমে ব্লেন্ডারে ৮-১০টি রসুনের কোয়া নিন। হাফ কাপ মতো জল দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর সেই রসুনের পেস্ট বের করে তা আরও ৩-৪ কাপ জলের সঙ্গে মেশান। এবার একটি কাচের বোতলে ভরে রেখে দিন ঘরের ভিতরের কোনও ঠান্ডা জায়গায়। দেখবেন যাতে সরাসরি সূর্যের আলো না পড়ে। এভাবে দিন দুই রেখে দিন। তারপর তৃতীয় দিনে রসুনের জল ছেঁকে নিন। যতটা রসুনের জল তার ছয় গুণ সাধারণ জল মিশিয়ে নিন। তারপর স্প্রে বোতলে ভরে বিকেলে বা সকালের দিকে গাছে স্প্রে করুন।
বেঁচে যাওয়া রসুনের জল আপনি চাইলে ফ্রিজেও রেখে দিতে পারেন। সপ্তাহে ১দিন করে ব্যবহার করলেই দেখবেন গাছে আর কোনও পোকামাকড়ের উপদ্রব হচ্ছে না।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


