Reuse of Leftover Rice: বাসি ভাত গরম করে খাওয়ার ভুল করবেন না, হতে পারে ডায়রিয়া-বমি, দেখুন কী করবেন

Reuse of Leftover Rice: একটা পদ্ধতি অনুসরন করলে বাসি ভাত খেলেও শরীরের কোনও সমস্যা হবে না।

Published on: Apr 15, 2026 3:52 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Reuse of Leftover Rice: বাঙালিদের ভাত ছাড়া মুখ রোচে না। বেশিপভাগ বাড়িতেই আগেরদিনের ভাত পরেরদিন গরম করে খাওয়ার চল আছে। আবার কখনও সকালের ভাত রাতেও গরম করে খাওয়া হয়। তবে জানেন কি, ভাত বারবার গরম করলে তাতে বিষক্রিয়া হতে পারে। তাই এমন কাজ ভুলেও করবেন না। বরং, যতটা প্রয়োজন ঠিক ততটা ভাতই রান্না করার চেষ্টা করুন।

বাসি ভাত গরম করে খাওয়ার ভুল করবেন না, হতে পারে ডায়রিয়া-বমি, দেখুন কী করবেন
বাসি ভাত গরম করে খাওয়ার ভুল করবেন না, হতে পারে ডায়রিয়া-বমি, দেখুন কী করবেন

ভাত রান্নার পর যদি দীর্ঘ সময় সাধারণ তাপমাত্রায় সেটা রাখা থাকে তাহলে ‘ব্যাসিলাস সিরিয়াস’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে থাকে। । সেই ভাত আবার গরম করা হলে ওই ব্যাকটেরিয়া বিষাক্ত হয়ে যায়। আর তারপর তা খেলে ডায়রিয়া, বমির সমতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তারচেয়ে ভাত থেকে গেলে তাতে জল দিয়ে রাখুন। এবার সেই জল দেওয়া ভাত, যেটা পান্তা হিসেবে পরিচিত সেটি খেতে পারেন। মনে রাখবেন পান্তা ভাত শরীর ঠান্ডা রাখে। পেটের সমস্যার সমাধান হয়। কোঠবদ্ধতা দূর হয়। সঙ্গে এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ও হার্ট সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে।

বেচে যাওয়া ভাত যদি একান্তই ফেলে দিতে না চান তাহলে ভাত রান্না হওয়ার একঘণ্টার মধ্যেই তা মুখবন্ধ কৌটয় ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। খাওয়ার মিনিট পাঁচ আগে বের করুন। কমপক্ষে ৬০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গরম করে তবেই পরিবেশন করবেন ফ্রিজে রাখা ভাত।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More