Ghee in Summer: প্রচণ্ড গরম পড়েছে, এই সময়ে ঘি খাওয়া কি ঠিক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
Ghee in Summer: প্রচণ্ড গরম। এই সময়ে ভাতের সঙ্গে ঘি খেলে কী হয়? ঘি খাওয়া কি এই সময়ে ঠিক কাজ? নাকি ক্ষতি হয় নাকি লাভ?
গরম ভাতের সঙ্গে খাওয়ার জন্য ঘিয়ের কোনও তুলনা নেই। সকলেই জানেন, শুধু দারুণ স্বাদ নয়, ঘিয়ের অনেক উপকারিতাও রয়েছে। শীতকালে অনেকেই গরম ভাতের সঙ্গে তো বটেই রান্নাতেও দেদার ঘি ব্যবহার করেন। কিন্তু এখন বীভৎস গরম। দাবদাহ চলছে। এই সময়ে ঘি খাওয়া কি ঠিক হবে?

গরমকালে ঘি খেলে শরীরের উপর নানা ধরনের প্রভাব পড়ে। তার বেশির ভাগই অত্যন্ত ভালো। এমনই মত আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের। তাই গরমে ঘি খাওয়ার মধ্যে ভুল কিছু নেই। গরমে ঘি খেলে কী কী উপকার হয়? জেনে নিন এখান থেকে।
ক্লান্তি কমায়: শরীরের শক্তি বাড়ানো এবং ক্লান্তি কমানোর জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন। গরমের সময়ে আরও বেশি মাত্রায় ক্লান্তি গ্রাস করে। তাই এই সময়ে ঘি খাওয়া ভালো। মসুর ডাল বা তরকারিতে এক চামচ ঘি দিয়ে খেতেই পারেন। এতে বেশি উপকার পাবেন।
রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে: ঘি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ঘি খাওয়ার ফলে নানা রকম সংক্রমণ ও রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হয়। ঘিয়ে নানা ধরনের ভিটামিন রয়েছে। এগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গরমে নানা কারণে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে যেতে পারে। তাই এই সময়ে ঘি খেলে উপকার পাওয়া যায়।
জলশূন্যতা আটকাতে সাহায্য করে: গরমে ঘাম হয়ে শরীর শুকিয়ে যায়, শরীরে জলশূন্যতা দেখা দেয়। ঘি শরীরের ভিতরে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের মতে, গরমের সময় শরীরের জলের অভাব মেটায় ঘি। শুধু তাই নয়, ঘি খেলে ত্বকেও অনেক উপকার পাওয়া যায়। ত্বক শুকিয়ে যাওয়া থেকেও রক্ষা পাওয়া যায় ঘি খেলে।
হজম ক্ষমতা বাড়ে: খালি পেটে ঘি খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে। আয়ুর্বেদ বলছে, ঘি খাবার থেকে পুষ্টিগুণ সংগ্রহ করতে দারুণ কাজ করে। এতে প্রচুর পরিমাণে বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। যে কোনও কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমে যায়। ফলে এটি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও উপকারী।
শরীর ঠান্ডা থাকতে পারে: ঘি খাওয়ার ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে বলেও মনে করেন অনেকে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন, ঘি প্রদাহ হ্রাস করার পাশাপাশি শরীরকে শীতল রাখতে পারে। এই কারণে গরম কালে ঘি খাওয়ার পরামর্শ দেন তাঁরা।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


