অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খান? হজম ক্ষমতা ঠিক করতে খান এই খাবারগুলি
জাঙ্ক ফুড খাওয়ার পর প্রায়শই পেটে অস্বস্তি, গ্যাস এবং ফোলাভাবের মতো সমস্যা দেখা দেয়। এই অবস্থায় হজমশক্তি উন্নত রাখতে কিছু বিশেষ স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি, যা শরীরকে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।
আজকের দিনে জাঙ্ক ফুড আমাদের জীবনযাত্রার একটি অংশ হয়ে উঠেছে। বন্ধুদের সাথে বাইরে যাওয়া হোক, অফিসের পার্টি বা উইকেন্ড ট্রিট—বার্গার, পিৎজা, ফ্রাইস এবং মিষ্টি পানীয়ের মতো খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখা কঠিন। কিন্তু এই খাবারগুলিতে ক্যালোরি, ফ্যাট, লবণ বেশি থাকে এবং পুষ্টিগুণ কম থাকে, যা হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং ফোলাভাব, গ্যাস ও ক্লান্তির মতো সমস্যা তৈরি করে। তাই জাঙ্ক ফুড খাওয়ার পর পরই স্বাস্থ্যকর, হালকা এবং শরীরকে ডিটক্স করার মতো খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। এতে কেবল পেটই আরাম পায় না, শরীরও আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। নিচে এমন কিছু খাবারের কথা বলা হলো যা দিয়ে আপনি জাঙ্ক ফুডের ক্ষতি কমাতে পারেন এবং শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার করতে পারেন। জাঙ্ক ফুড খাওয়ার পর কী খাবেন?

১. ঈষদুষ্ণ জল বা লেবু-জল: এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। ফোলাভাব ও অস্বস্তি দ্রুত কমে যায়।
২. ডাবের জল: এটি ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখে এবং তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পর হওয়া জ্বালা বা অ্যাসিডিটি শান্ত করে।
৩. তাজা ফল (পেঁপে, কলা, তরমুজ, আপেল): এগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা হজমশক্তি উন্নত করে এবং শরীরকে হালকা রাখে।
৪. দই বা ছাঁচ: প্রোবায়োটিকস অন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং গ্যাস কমায়। এটি পেটে তাৎক্ষণিক আরাম দেয়।
৫. ভেজিটেবল স্যুপ বা মুগ ডালের স্যুপ: হালকা, পুষ্টিকর এবং সহজে হজমযোগ্য—এটি জাঙ্ক ফুডের কারণে হওয়া অস্বস্তি দ্রুত কমায়।
৬. ওটস, ডালিয়া বা খিচুড়ি: এগুলি কম মশলাদার এবং সহজে হজমযোগ্য, তাই জাঙ্ক ফুডের পর পেটকে আরাম দেয়।
৭. গ্রিন টি বা পুদিনা/আদার হার্বাল টি: এটি শরীরকে ডিটক্স করে এবং হজমতন্ত্রকে শান্ত রাখে।
এগুলো এড়িয়ে চলুন—বেশি চা/কফি, কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কস, অতিরিক্ত মশলাদার খাবার, মিষ্টি বা চকলেট। এগুলো শরীরে অস্বস্তি, অ্যাসিডিটি এবং ফোলাভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


