Kidney Cancer: কিডনির ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, কাদের ঝুঁকি বেশি জানেন কি
কিডনি ক্যানসার নিয়ে সচেতন করছেন চিকিৎসকরা। কারও কারও এই ক্যানসারের আশঙ্কা অন্যদের চেয়ে অনেকটাই বেশি।
কিডনির ক্যানসারে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হন। এই ক্যানসারে মৃত্যুর আশঙ্কা অন্য বহু ক্যানসারের থেকে তুলনায় অনেক বেশি। তার কারণ এই ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে না বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই।

এই ধরনের ক্যানসারের পিছন ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে কিডনির ক্যানসারের আঙ্কা তুলনায় বেশি।
কাদের কিডনির ক্যানসারের আশঙ্কা বেশি?
- যাঁদের জীবনযাত্রা এবং খাওয়াদাওয়ার ব্যাপক অনিয়ম হয়
- ধূমপান এবং মদ্যপানের অভ্যাস যাঁদের রয়েছে
- যাঁদের ওজন অতিরিক্ত মাত্রায় বেশি, মেদের সমস্যা আছে
- কিডনির দীর্ঘ দিনের সমস্যা আছে, ডায়ালিসিস চলছে বহু দিন ধরে
কী থেকে বুঝবেন কিডনির ক্যানসারের মতো সমস্যা হয়েছে কি না? কী বলছেন চিকিৎসকরা? কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পঙ্কজ ওয়াধাওয়া এই বিষয়ে কয়েকটি লক্ষণের কথা বলেছেন। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, কতগুলি লক্ষণ দেখলেই সাবধান হতে হবে।
- প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত পড়া মানেই সমস্যা আছে।
- প্রস্রাবে রক্ত পড়ছে এবং কোনও ব্যথা নেই। তাহলেও বুঝতে হবে বড় কোনও সমস্যা হয় থাকতে পারে।
- কোমরে ব্যথা হওয়াটাও এই ক্যানসারের লক্ষণ।
- খিদে কমে যাচ্ছে এবং প্রস্রাবের সমস্যা হচ্ছে? এগুলিও কিডনির ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।
- দ্রুত ওজন কমে যাওয়াটিও কিডনির ক্যানসারের অন্যতম লক্ষণ।
- জ্বর আসা এবং রাতে ঘুমের মধ্যে প্রবল ঘামও ক্যানসারের কারণে হতে পারে।
এই লক্ষণগুলি দেখা দিলে বুঝতে হবে, সমস্যা হয়ে থাকতেও পারে। সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। দরকারে যা যা পরীক্ষা করাতে হয়, সেগুলি করিয়ে নিয়েনিশ্চিত হতে হবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


