Late Night Eating Issues: রাতের খাবার খেতে দেরি হয়ে যায়? ক্যানসারের বাসা বাঁধছে না তো? জানুন চিকিৎসকের মত

Cancer Risk For Late Night Eating: রাতের খাবার খেতে অনেকেরই আজকাল দেরি হয়ে যায়। এর জন্য কি শরীরে ক্যানসার বাসা বাঁধতে পারে? কী বলছেন চিকিৎসক?

Published on: Nov 11, 2025, 20:26:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আজকের দ্রুত গতির জীবনযাত্রায় যেন দম ফেলার সময় নেই। বিশেষত, অনেকেই লক্ষ্য করে থাকবেন যে রাতের খাবার খেতে খেতে অনেকেরই দেরি হয়ে যায়। বেশিরভাগ লোক রাতে দেরি করে খাওয়া শুরু করে। আর তার পরেই তারা দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন। শহরের দিকে এটি খুব সাধারণ, কারণ কাজের কারণে বা রাতে গভীর রাতে ঘুমানোর অভ্যাসের কারণে অনেকেই রাতের খাবার দেরি করে খেতে পছন্দ করে।

রাতের খাবার খেতে দেরি হয়ে যায়?
রাতের খাবার খেতে দেরি হয়ে যায়?

কী বলছেন চিকিৎসক

কিন্তু এই অভ্যাস কতটা স্বাস্থ্যকর? সম্প্রতি এই ব্যাপারেই সোশাল মিডিয়াতে একটচি ভিডিয়োতে বিস্তারিত জানিয়েছেন ক্যান্সার সার্জন ও অনকোলজিস্ট ডাঃ জয়েশ শর্মা। চিকিৎসকের কথায়, যদি খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়েন তবে এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকারক হতে পারে। গভীর রাতে রাতের খাবার খাওয়া বা রাতের খাবারে ভারী খাবার খাওয়া হজম এবং হরমোনের মাত্রা উভয়ের উপরই খারাপ প্রভাব ফেলে। এটি শরীরে ইনসুলিন ও কর্টিসল হরমোন বাড়ায়, তেমনি ঘুমের হরমোন 'মেলাটোনিন'ও একই সঙ্গে বাড়ছে। এটি প্রদাহের একটি খুব খারাপ চক্র শুরু করে।

আরও পড়ুন - কাড়ি পাতা কমাতে পারে চুল পড়া বা হজমের সমস্যা! কীভাবে খাবেন জেনে নিন

আরও পড়ুন - Health News: ফুসফুস আর পাঁজরের মাঝে ভয়ানক সংক্রমণ, কলকাতার হাসপাতালে প্রাণ ফিরল ৫ বছরের আর্যর

আরও পড়ুন - Delhi Red Fort Blast: ‘সারাদিন পড়াশোনা করত…’ লালকেল্লার বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড উমর মহম্মদকে নিয়ে কী দাবি তাঁর বৌদির

ঘুমানোর কতক্ষণ আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত?

স্পেনে করা একটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে ডাঃ জয়েশ বলেছেন যে আপনার রাতের খাবার ঘুমানোর প্রায় ২-৩ ঘন্টা আগে খাওয়া উচিত। চিকিৎসকদের কথায়, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাদের রাতের খাবার এবং শুতে যাওয়ার মধ্যে ২-৩ ঘন্টার ব্যবধান ছিল তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যও আপনাকে অবশ্যই এই অভ্যাসটি গ্রহণ করতে হবে।

পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মতামতের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এটি সমস্যাটি সম্পর্কে সাধারণ ধারণার উপর আলোকপাত করা মাত্র। ব্যক্তিবিশেষে প্রতিটি সমস্যার চিকিৎসা এবং নিরাময়ের পদ্ধতি পৃথক। তাই যে কোনও সমস্যায় শুধুমাত্র এই প্রতিবেদনের কথায় ভরসা না রেখে, ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসকের বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।