নিয়মিত ব্লাড প্রেশারের ওষুধ খাচ্ছেন? এর ফলে কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন
রক্তচাপ কমাতে ব্লাড প্রেশারের ওষুধ অনেকেই খান। কিন্তু সেই ওষুধের মারাত্মক ক্ষতিকারক প্রভাব ধরা পড়েছে সাম্প্রতিক গবেষণায়।
কোটি কোটি মানুষ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। মানসিক চাপ, কাজের চাপ, খাদ্যাভ্যাসের নানা সমস্যার কারণে রক্তচাপ বাড়ছে অনেকেরই। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে অনেকেই ব্লাড প্রেশারের ওষুধ খান। এক হিসাবে এই ধরনের ওষুধ প্রতি বছর কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচায়, কমায় হৃদরোগের আশঙ্কা। কিন্তু জীবন বাঁচানোর কাজ যে ওষুধটি বছরের পর বছর করে চলেছে, সেটি কি সম্পূর্ণ নিরাপদ? নাকি এটি ঘুরিয়ে শরীরের ক্ষতি করছে?

হালে University of Virginia School of Medicine-এর একটি গবেষণা তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেখানে বলা হয়েছে, নিয়মিত বছরের পর বছর ব্লাড প্রেশারের ওষুধ খেলে কিডনি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এই জাতীয় ওষুধ কিডনির উপর চাপ ফেলে, এমন আশঙ্কা অনেক চিকিৎসকই করতেন। কিন্তু এই প্রথম বার হাতেকলমে তার প্রমাণও পাওয়া গেল।
কী বলা হয়েছে এই গবেষণাপত্রে?
গবেষণকরা বলছেন, কিডনির ঠিক করে কাজ করার জন্য renin cell নামের কোষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কোষগুলি renin নামক হরমোন তৈরি করে। আর এটিই রক্ত পরিশুদ্ধ করার কাজ করে। কিছু কিছু রাসায়নিক এই renin-এর কাজের ধরন পাল্টে দেয়। এগুলি তখন কিডনিরই ক্ষতি করতে শুরু করে। আর এই রাসায়নিকগুলির বেশির ভাগই পাওয়া যায় ব্লাড প্রেশারের ওষুধে।
ফলে দীর্ঘ দিন ধরে যাঁরা ব্লাড প্রেশারের ওষুধ খান, তাঁদের কিডনির মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে এর ফলে। তেমনই বলা হয়েছে গবেষণায়।
তাহলে কি ব্লাড প্রেশারের ওষুধ খাওয়া ছেড়ে দেবেন?
মোটেই তা নয়। কারণ তাতেও বাড়বে হৃদরোগ এবং মৃত্যুর আশঙ্কা। গবেষকদের বক্তব্য, ব্লাড প্রেশারের ওষুধ দরকার মতো খেতেই হবে। কিন্তু জীবনযাত্রায় বদল এনে সেই ওষুধের মাত্রা যত কমানো যায়, ততই ভালো। এর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শে কিডনির যত্ন নেওয়ার বিষয়েও সচেতন হতে হবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


