কয়েকটি খাবার খেলে ক্যানসারের আশঙ্কা কমে, দেখুন তো এগুলি আপনি নিয়মিত খাচ্ছেন কি
ক্যানসারের প্রধান কারণ শরীরে একটি উপাদানের অভাব। এমনই বলছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা।
গত ৫ বছরে করোনার কারণে অন্য রোগ নিয়ে কথাবার্তা কমে গিয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যেও অন্যের রোগের প্রাদুর্ভাব কমেনি। ঠিক যেভাবে কমেনি ক্যানসারের মতো জটিল অসুখের পরিমাণ। একদিকে যেমন পৃথিবীর তাবড় বিজ্ঞানীরা কাজ করে চলেছেন সংক্রামক রোগের জট ছাড়াতে, তেমনই অন্য বিজ্ঞানীরাও কাজ করছেন অন্যান্য অসুখের শিকড় খুঁজে বার করতে।

তেমনই একটি শিকড় পাওয়া গেল ক্যানসারের। এর আগে ক্যানসারের এত স্পষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যানি বলেও মনে করছেন অনেকে। সম্প্রতি University of Basel এবং University Hospital Basel-এর Biomedicine বিভাগ আর University of Cambridge-এর Medicine বিভাগের তরফে যুগ্মভাবে একটি গবেষণা চালানো হয়েছে। তাতে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন, শরীরে একটি বিশেষ উপাদানের অভাবে ক্যানসারের আশঙ্কা বিপুল ভাবে বেড়ে যায়। এটি হল ম্যাগনেসিয়াম।
শুধু ক্যানসার নয়, শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে নানা ধরনের অসুখের আশঙ্কা বাড়ে। বেড়ে যায় বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। আর এগুলির থেকেও বেশি বেড়ে যায় ক্যানসারের আশঙ্কা।
বেশির ভাগ ক্যানসারের সঙ্গেই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতির সরাসরি যোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
কীভাবে ম্যাগনেসিয়াম ক্যানসার আটকায়:
বিজ্ঞানীদের মতে, ক্যানসার প্রতিহত করার জন্য শরীরে বিশেষ ধরনের টি-সেল কাজে লাগে। সেই টি-সেল উৎপাদনের পুরোটাই নির্ভর করে ম্যাগনেসিয়ামের উপর। এই টি-সেল শরীরের কোথাও গণ্ডগোল লক্ষ্য করলে সেখানে পৌঁছে ক্ষতিকারক কোষগুলিকে নষ্ট করে। কিন্তু ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হলে এই টি-সেল উৎপাদন কমে যায়। তাতেই বাড়ে ক্যানসারের আশঙ্কা।
কীভাবে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করবেন:
কয়েকটি খাবারে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। সেগুলি নিয়মিত খেতে পারেন। দেখে নিন, সেগুলি কী কী।
- কলা
- ডার্ক চকোলেট
- সবুজ শাকসব্জি
- স্যামন বা ম্যাকারেলের মতো সামুদ্রিক মাছ
- বাদাম
- অ্যাভোকাডো
এগুলি নিয়মিত খেলে শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হয় না। তাতে ক্যানসারের আশঙ্কা কমে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


