Mental health tips: কোনও কাজ মন দিয়ে করতে পারছেন না? এই তিনটি অভ্যাস বদলান
প্রতি দিন এমন শত শত ভাবনা মাথার মধ্যে ভিড় করে, যেগুলি কমিয়ে দেয় কাজের ইচ্ছা। কীভাবে সামলাবেন এই সব ভাবনা?
আমরা প্রত্যেকেই প্রতি দিন এমন কিছু কাজ করেই চলি, যেগুলি আমাদের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়, মন খারাপ বাড়িয়ে দেয়, মানসিক ভাবে ক্লান্ত করে দেয়।

কোন কোন অভ্যাস, আমাদের প্রতি দিনের জীবন এভাবে ক্লান্তিকর করে তুলছে? মনোবিদরা বলছেন, এই তালিকায় একেবারে গোড়াতেই থাকবে কোনও বিষয় িনয়ে অতিরিক্ত ভাবনা। এই ভাবনা উদ্বেগের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, কাজের উদ্যম কমিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, শরীরের উপরেও প্রভাব পড়ে এর। এতে মাথাব্যথা, শরীর ক্লান্ত থাকা থেকে হজমের সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে।
সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মনোবিদ মায়া কৃপালিনি জানিয়েছেন, ‘যেগুলি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই, সেগুলি নিয়ে অনেকেই ভেবেই চলেন। সেই ভাবনা তাঁরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। এটি তাঁদের মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দেয়।’
এর পরেই যে অভ্যাসটি মানুষকে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, সেটি হল ভবিষ্যৎ নিয়ে অহেতুক দুশ্চিন্তা। যখন হাতে কাজ থাকছে না, তখনই ভবিষ্যৎ নিয়ে অহ্তুক দুশ্চিন্তা গ্রাস করে অনেককে।
মায়া কৃপালিনির মতে, ‘অতীত থেকে মানুষ শেখে। সেই শিক্ষাই ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগে। কিন্তু এই দুটো নিয়ে সারা ক্ষণ ভাবলে বাদ পড়ে যায় বর্তমানটা। তার ফলে কাজকর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’
এর পরে বাকি থাকে আরও একটি অভ্যাস। এটিও কমিয়ে দেয় কাজের ক্ষমতা। বাড়ায় মনখারাপ। সেটি হল রোজ এক ধরনের রুটিন মেনে কাজ করে যাওয়া। অনেকেই এই রুটিন বদলাতে পারেন না। সেটি মনের উপর বিরাট চাপ ফেলে।
মায়া কৃপালিনি বলছেন, ‘একঘেয়েমি কাজের ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। এই অবস্থা বদলাতে না পারলে এক সময় রোজকার জীবন অত্যন্ত বিরক্তিকর হয়ে ওঠে এবং মন খারাপ লেগেই থাকে।’
এই পরিস্থিতি বদলাতে কী করবেন? মনোবিদ বলে দিচ্ছেন তিনটি রাস্তা:
- কোন ধরনের ভাবনা মাথার মধ্যে ভিড় করছে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। খুব নেগেটিভ ভাবনা হলে, সেগুলি এড়িয়ে চলুন।
- অতীত এবং ভবিষ্যতের ভাবনায় বেশি ঘোরাফেরা করবেন না। বর্তমানে থাকুন।
- নতুন কিছু শিখুন। নতুন কাজ আপনার মন ভালো রাখতে সাহায্য করবে। একঘেয়েমি কমাবে। তাতে মনও ভালো হবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


