Healthy Lifestyle Tips: শরীরের এই সব জায়গাগুলিতে কখনও হাত দেবেন না, কেন জানেন

Healthy Lifestyle Tips: শরীরের কোন কোন জায়গায় কখনও হাত দেওয়া উচিত নয়? হাত দিলে কী হতে পারে?

Published on: Apr 21, 2026 10:46 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Healthy Lifestyle Tips: বেখেয়ালে আমরা কখনও চোখে হাত দিই, কখনও মুখে হাত দিই, কখনও গা চুলকাই। কিন্তু মনে রাখবেন, শরীরের সর্বত্র এক ধরনের জীবাণু থাকে না। তাই এক জায়গার জীবাণু শরীরের অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

শরীরের এই সব জায়গাগুলিতে কখনও হাত দেবেন না, কেন জানেন
শরীরের এই সব জায়গাগুলিতে কখনও হাত দেবেন না, কেন জানেন

তাই জেনে নিন, শরীরের কোথায় কোথায় কখনও স্পর্শ করবেন না।

  • চোখ: চোখ শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অঙ্গ। এখানে অপরিষ্কার হাত দেওয়া উচিত নয়। চোখের বেশির ভাগ সংক্রমণই হাত থেকে ছড়ায়। তাই চোখে হাত দেওয়া থেকে দূরে থাকুন।
  • মুখ: মুখমণ্ডল বা মুখের ভিতর— দুটোর কোথাওই হাত দেবেন না। কারণ এতে নানা ধরনের জীবাণু শরীরে ঢুকে পড়তে পারে। তাতে পেটের সমস্যা হতে পারে। এমনকী ফুসফুসের নানা ধরনের সংক্রমণও হতে পারে এর ফলে।
  • নাক: নাকের ভিতরে নিজস্ব কিছু জীবাণু আছে। অপরিষ্কার হাত নাকে দিলে বাইরে থেকে অপকারী জীবাণু নাকে ঢোকে। ফলে নাকের উপকারী জীবাণুর ক্ষতি হয়। এই সমস্যা এড়াতে নাকে হাত দেবেন না।
  • পায়ুদ্বার: শরীরের এই এলাকায় কখনও হাত দেওয়া উচিত নয়। গোটা খাদ্যনালীর এক এক জায়গায় এক এক ধরনের জীবাণু থাকে। পায়ুদ্বার খাদ্যনালীর শেষ প্রান্ত। এখানে হাত দিলে, সেই হাত তার পরে পরিষ্কার না করা হলে, পায়ুদ্বারের জীবাণু হাত থেকে মুখে চলে আসতে পারে। তাতে জীবাণুর ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
  • নাভি: এটি বিভিন্ন ধরনের জীবাণুর বাসা। তার সব ক’টি যে শরীরের জন্য খারাপ, তাও নয়। কিন্তু উপকারী এবং অপকারী দু’ধরনের জীবাণুই এখানে বাসা বেধে থাকে। এই অঙ্গে হাত দিলে, সেই সব জীবাণু আবারও পরোক্ষভাবে মুখে চলে আসতে পারে। ফলে এই অঙ্গে কখনও হাত দেবেন না
  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More