কমলালেবুর খোসা দিয়েই হবে ত্বকের যত্ন, কী করতে হবে জেনে নিন
আমরা ফলটি খেয়ে খোসাটা সাধারণত ফেলেই দিই। জানলে অবাক হবেন, কমলালেবুর খোসায় ফলের চেয়েও বেশি পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং পুষ্টিগুণ থাকে, যা আপনার ত্বকের ভোল বদলে দিতে পারে।
শীতকাল মানেই বাজারে রোদঝলমলে টাটকা কমলালেবুর সমাহার। ভিটামিন সি-তে ভরপুর এই ফলটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অতুলনীয়। তবে আমরা ফলটি খেয়ে খোসাটা সাধারণত ফেলেই দিই। জানলে অবাক হবেন, কমলালেবুর খোসায় ফলের চেয়েও বেশি পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং পুষ্টিগুণ থাকে, যা আপনার ত্বকের ভোল বদলে দিতে পারে।

শীতে কমলালেবুর খোসা দিয়ে কীভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন, জেনে নিন।
কমলালেবুর খোসা: ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতার চাবিকাঠি
কমলালেবুর খোসায় থাকে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড এবং ক্যালসিয়াম, যা ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখে। নিচে এর ব্যবহারের ৩টি সহজ পদ্ধতি দেওয়া হলো:
১. ঘরোয়া ফেসপ্যাক (উজ্জ্বলতা বাড়াতে)
কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। দুই চামচ খোসা গুঁড়োর সাথে এক চামচ মধু এবং এক চামচ টক দই মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কালো ছোপ দূর করে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনবে।
২. স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার (মৃত কোষ দূর করতে)
শীতে ত্বক খসখসে হয়ে যায়। কমলালেবুর খোসা গুঁড়োর সাথে সামান্য চিনি এবং নারকেল তেল মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। এটি ব্ল্যাকহেডস দূর করতে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।
৩. প্রাকৃতিক টোনার (তৈলাক্ত ভাব কমাতে)
খোসাগুলো জলে ফুটিয়ে সেই জল ঠান্ডা করে একটি স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। এটি প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে দারুণ কাজ করে। যারা ব্রণ বা ওপেন পোরসের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এটি মহৌষধ।
কেন ব্যবহার করবেন কমলালেবুর খোসা?
- ভিটামিন সি-এর উৎস: এটি ত্বকে কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে বলিরেখা রোধ করে।
- দাগছোপ নিরাময়: রোদে পোড়া দাগ (Sun Tan) দূর করতে এর জুড়ি নেই।
- সাশ্রয়ী: দামী কসমেটিকসের বদলে এটি একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং বিনা মূল্যের রূপচর্চার উপাদান।
সতর্কতা
সরাসরি লেবুর খোসা মুখে ঘষবেন না, কারণ এতে থাকা অ্যাসিড স্পর্শকাতর ত্বকে জ্বালাপোড়া করতে পারে। সবসময় গুঁড়ো করে বা অন্য উপকরণের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। ব্যবহারের আগে কানে বা হাতে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


