Osteoarthritis symptoms: কম বয়সীদের মধ্যে বাড়ছে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের সমস্যা! রোগের উপসর্গ একনজরে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে যেখানে অস্টিওআথ্রাইটিস দেখা যেত ৫৫ থেকে ৬০ বছরের মানুষের মধ্যে, এখন সেখানে ৩৫ থেকে ৪৫ বছরের মানুষের মধ্যে তা দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, পরিবর্তিত জীবনযাত্রাই এর অন্যতম কারণ।
হাড়ের বিভিন্ন জটিলতার মধ্যে অন্যতম অসুস্থতা হল অস্টিওআর্থ্রাইটিস। এই রোগ যাঁদের রয়েছে তাঁদের জীবন অল্পেই বিষম হয়ে উঠতে পারে। গাঁটের ব্যথার যন্ত্রণা কেবল একজন রোগীই বোঝেন! এই রোগের জেরে বহু সময়ই হাড়ের জয়েন্টগুলি দুর্বল হতে থাকে। আগে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের সমস্যা কেবলমাত্র বয়স্কদের মধ্যে দেখা যেত। তবে সদ্য দেখা যাচ্ছে, এই সমস্যা খুব কম বয়সের মানুষের মধ্যেও দেখা গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে যেখানে অস্টিওআথ্রাইটিস দেখা যেত ৫৫ থেকে ৬০ বছরের মানুষের মধ্যে, এখন সেখানে ৩৫ থেকে ৪৫ বছরের মানুষের মধ্যে তা দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, পরিবর্তিত জীবনযাত্রাই এর অন্যতম কারণ। অনেক সময় হাড়ের চারদিকের কার্টিলেজ বেরিয়ে আসে বাড়তি মেদের জন্য, এছাড়াও শারীরিক শ্রমের কমতির ফলে এই সমস্যা দেখা যায়। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন কোন কারণে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের সমস্যা হয়?
- -অলস জীবনযাত্রা।
- -অনেক ঘণ্টা ধরে বসে থাকা কাজ।
- -ডেস্ক বা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে বা মাথা ঝুঁকিয়ে একইভাবে কাজ করা।
- - ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা।
- -অতিরিক্ত দৌড়াদৌড়ি বা হাঁটাচলা করলে এমন হতে পারে।
- -জয়েন্টে কোনও কারণে আঘাত লেগে থাকলে।
- -হরমোনের সমস্যা।
- -অস্টিওআর্থ্রাইটিসের পারিবারিক ইতিহাস।
- অস্টিওআর্থ্রাইটিসের উপসর্গ-
- - জয়েন্টের চারপাশে অস্বস্তি, ফোলাভাব, লালভাব।
- -জয়েন্টের চারপাশে কোনও কিছুর আঘাত।
- -আবসাদ।
- -জ্বর।
সমস্যা কাটানোর উপায়
চিকিৎসকরা বলছেন, যদি অস্টিওআর্থ্রাইটিসের সমস্যা কাটাতে হয়, তাহলে রোজ হাঁটার অভ্যাস রাখতে হবে। উচ্চ অক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার খেলে এই সমস্যা কেটে যেতে পারে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


