Parenting tips: কথায় কথায় খুদের ভুল ধরেন, বকাঝকা করেন? জেনে নিন আদতে কী করলে ভালো হবে ওর
Parenting tips: অনেক বাবা-মা এমন আছেন যারা কথায় কথায় ভুল করেন খুদের। এমনকী প্রতি পদেই তাকে বকাঝকা করেন। আদতে কী করলে ভালো ফবে খুদের? রইল হদিশ
অনেক বাবা-মা এমন আছেন যাঁরা কথায় কথায় ভুল করেন খুদের। এমনকী প্রতি পদেই তাকে বকাঝকা করেন। আদতে কী করলে ভালো হবে খুদের?

মনোবিদদের কথায় শিশুদের কিছুটা স্বাধীনতা দেওয়া উচিত। তাদের সব পদক্ষেপে তাদের ভুল ধরিয়ে বকাঝকা করার দরকার নেই। এমনকী সাবধানও করার দরকার নেই সবসময়।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, বাবা মায়েদের নিজেদের একটু সামলাতে হবে এই সময়। খুদেকে সব কথায় ভুল ধরিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। বরং দূর থেকে তার কাজের উপর নজর রাখুন।
ছোট্ট খুদে নিজেকে আঘাত দিতে পারে? ছুরি কাঁচির মতো ধারালো জিনিস হাত দিচ্ছে? নিজে আঘাত পাবে এমন ঘটনা দেখলে তবেই ওকে সামলাতে যান। নয়তো ওকেই ঠেকে শিখতে দিন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুকে ছোট থেকে ঠেকে শিখতে দিলে সে বড় হয়ে নিজে নিজেই সব কাজ করার ক্ষমতা অর্জন করে। এতে সবসময় অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হয় না।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


