Phone addiction remedies: সারাক্ষণ ফোনের নেশায় বুঁদ? বয়ে যাচ্ছে সময়? এড়ানোর ৫ কায়দা হয়তো জানেন না বলেই
Phone addiction remedies: সারাক্ষণ ফোনের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকেন? ফোন ঘাঁটতে ঘাঁটতেই বয়ে যায় সময়? পাঁচ কায়দা জানেন না বলেই হয়তো এমনটা হচ্ছে।
ফোন নিয়ে সারাক্ষণ ঘাঁটাঘাটি করছেন? এতেই কীভাবে যেন বয়ে যাচ্ছে সময়। মাঝখান দিয়ে কাজের কাজ হচ্ছে না কিছুই। ফোন এড়ানোর পাঁচটি সহজ কায়দা জেনে নিলেই আর কোনও সমস্যা হবে না।

সময় বেঁধে ফেলুন: দিনে একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে ফেলুন দেখি। এই সময়ের বাইরে ফোন নিয়ে আর ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। সময় ফুরোলে রেখে দেবেন ফোন। দেখবেন অনেকটাই কমে গিয়েছে নেশা।
নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখুন: কাজের সময় ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখুন। দেখবেন অনেকটাই কাজে দিচ্ছে এই কায়দা। ঘন ঘন ফোনের টুং টুং আওয়াজ আর বিরক্ত করবে না আপনাকে।
শখকে সময় দিন: ফোনকে দূরে সরিয়ে রাখতে নিজের শখকে সময় দিন। ছবি আঁকা থেকে গান শোনা, গিটার বাজানো, এমন অনেক শখই থাকে একজনের। সেই শখকে সময় দিন। দেখবেন ফোন ব্যবহারের সময় অনেকটাই কমে গিয়েছে।
বিছানার থেকে ফোন দূরে রাখুন: বিছানায় শোয়ার সময় ফোন নিয়ে শোবেন না। তাহলেই দেখবেন অনেকটা সময় বেঁচে গিয়েছে আপনার। ফোন নিয়ে শুলে তাতেই ঘুমের অনেকটা সময় চলে যায়।
২০-২০-২০ নিয়ম: ফোনের জন্য চোখের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে দিন দিন। তাই ২০-২০-২০ নিয়ম মেনে চলুন সবসময়। ২০ মিনিট ফোন ব্যবহারের পর ২০ সেকেন্ড ২০ ফুট দূরের কোনও জিনিস দেখুন। এতে ভালো থাকবে চোখ।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


