গর্ভবতী হওয়ার প্রথম দিকের লক্ষণ কী কী? খেয়াল রাখতে হবে এই বিষয়গুলির
গর্ভবতী হওয়ার প্রথমের দিকে বেশ কয়েকটি লক্ষণ থাকে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেই সমস্ত লক্ষণগুলিকে।
যে কোনও মহিলার কাছেই মাতৃত্বের স্বাদ একটি পরমপ্রাপ্তি। এই অভূতপূর্ব অনুভতিকে তিলে তিলে উপভোগ করতে বহু মহিলাই মুখিয়ে থাকেন। একজন মহিলা গর্ভবতী কি না, তা জানতে রয়েছে ঘরে বসে টেস্টিং এর নানান সুযোগ। তবে টেস্টিং এর আগেও, বেশ কয়েকটি লক্ষণের দিকে নজর দিলে গর্ভবস্থা নিয়ে খানিকটা ধারণা পাওয়া যায়। টেস্টিং ছাড়াই খানিকটা ধারমা তৈরি হয় যে ওই মহিলা গর্ভবতী কী না। অনেক সময় দেখা যায়, বহু মহিলাই পিরিয়ড মিস করে গেলে তা স্বাভাবিক ঘটনা হিসাবে নেন। পরীক্ষার দিকে এগোন না। চিকিৎসকরা বলছেন এতে বহু জটিলতা তৈরি হয়। ফলে দেখে নেওয়া যাক গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কী কী।

- পিরিয়ড মিস হয়ে যাওয়া গর্ভবতী হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। তবে পিরিয়ড মিস হওয়ার নেপথ্যে আরও বহু ধরনের কারণ থাকতে পারে। তবে পিরিয়ড মিস হলে, বেশি সময় অতিবাহিত না করে তা নিয়ে চটজলদি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
- অনেক সময় বারবার টয়লেটে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। এক্ষেত্রে এটিও প্রেগনেন্সির একটি লক্ষণ। গর্ভবতী হওয়া কালীন রক্তে ফ্লুইড বাড়তে থাকলে বারবার টয়লেটে যাওয়ার ঘটনা সামনে আসে।
- বহু সময় স্তনে একটি হালকা ব্যথা অনুভূত হতে শুরু করে। হরমোনে কিছু জেরে পরিবর্তনের এমন ঘটনা ঘটে যায়। তবে কয়েক সপ্তাহ বাদে এই সমস্যা কেটে যায়।
- অনেক ক্ষেত্রে মহিলাদের বারবার বমির প্রবণতা দেখা যায়। এছাড়াও গা গোলানো ভাব লেগে থাকে। এটিও গর্ভবতী হওয়ার অন্যতম লক্ষণ।
- অনেক সময় হালকা জ্বর বা পেটে ব্যথা দেখা যায় এই সময়ে। জ্বরের সময় তাপমাত্রা সেভাবে না বাড়লেও তা অনেক সময় জানান দেয় যে মহিলা গর্ভবতী।
- গর্ভবতী অবস্থায় স্বাদ আর গন্ধের ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা পরিবর্তন হয়। সেক্ষেত্রে পছন্দের খাবারও অনেক সময় ভালো লাগে না স্বাদের দিক থেকে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


