কুমড়োর বীজ নাকি চিয়া সিডস, ওজন কমাতে কোনটা বেশি কার্যকর? জানলে অবাক হবেন!

স্থূলতা আজকাল প্রায় প্রত্যেকের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি আপনার স্বাস্থ্যকর ডায়েটে কুমড়োর বীজ বা চিয়া সিডস অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই দুটির মধ্যে কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর।

Published on: Oct 15, 2025, 10:24:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আজকাল প্রত্যেক দ্বিতীয় ব্যক্তির সমস্যা হল অতিরিক্ত ওজন। স্থূলতা কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে। এর সরাসরি কারণ হল ভুল খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা। ওজন কমানোর জন্য মানুষ অনেক কিছুই অনুসরণ করে। আপনিও যদি স্বাস্থ্যকর ডায়েটের বিকল্প খোঁজেন, তাহলে কুমড়োর বীজ এবং চিয়া সিডস খেতে পারেন। দুটিই পুষ্টিগুণে ভরপুর। কিন্তু আপনি কি জানেন যে ওজন কমাতে দুটির মধ্যে কোনটি বেশি সহায়ক? কুমড়োর বীজ কুমড়োর বীজকে পুষ্টির পাওয়ার হাউস হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এতে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন, জিঙ্ক, আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

কুমড়োর বীজ নাকি চিয়া সিডস, ওজন কমাতে কোনটা বেশি কার্যকর
কুমড়োর বীজ নাকি চিয়া সিডস, ওজন কমাতে কোনটা বেশি কার্যকর

চিয়া সিডস চিয়া সিডসে ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাসের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে।

ওজন কমবে কিসে? চিয়া হোক বা কুমড়োর বীজ, দুটিই প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে, দুটি বীজই ওজন কমাতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। আপনি আপনার ডায়েটে দুটির যে কোনও একটি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। ফাইবার দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা রাখে এবং প্রোটিন শরীরে শক্তি জোগায়। কীভাবে খাবেন কুমড়োর বীজ আপনি চিবিয়ে খেতে পারেন। এটা আপনার উপর নির্ভর করে। চিয়া সিডস সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে লেবুর রস মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এছাড়া স্মুদিতেও এই বীজ মিশিয়ে পান করতে পারেন। অন্যান্য উপকারিতা হজমতন্ত্র- কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, গ্যাস, পেটে ব্যথার মতো পেটের সমস্যায় উভয় বীজই আরাম দেয়। হার্ট ও মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে- চিয়া এবং কুমড়োর বীজে এমন উপাদান রয়েছে যা মস্তিষ্ক এবং হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের জন্য- উভয় বীজই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং বলিরেখা, ব্রণ, কালো দাগছোপ দূর করতে সাহায্য করে।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More