ভিনিগারে ভেজানো মুলো! টক-মিষ্টি এই খাবার শরীরকে কীভাবে ফিট রাখে জানেন?
শীতকালে ভিনিগারে ভেজানো মুলো শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও এক দারুণ উপকারী। এটি খাওয়ার একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, জেনে নিন এখানে।
শীতকালে যখন শরীরের অতিরিক্ত উষ্ণতা এবং হজম শক্তির প্রয়োজন হয়, তখন ভিনিগারে ভেজানো মুলো একটি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্প হয়ে ওঠে। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় রান্নাঘরে এটি শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্যই নয়, এর ঔষধি গুণের জন্যও পরিচিত। ভিনিগারে ডোবানো মুলো শরীরের জন্য একটি প্রাকৃতিক ডিটক্সের মতো কাজ করে - এটি হজমশক্তি উন্নত করে, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং লিভার পরিষ্কার রাখে। এতে থাকা ফাইবার, ভিটামিন C, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রোবায়োটিক শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে। নিয়মিত সীমিত পরিমাণে এটি খেলে শুধু হজম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই ভালো হয় না, ত্বকেও প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসে।

ভিনিগারে ভেজানো মুলোর স্বাস্থ্য উপকারিতা হজমশক্তি উন্নত করে: ভিনিগারে রাখা মুলো একটি প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিকের মতো কাজ করে। এটি পেটের গণ্ডগোল, গ্যাস এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূরে রাখে।
ওজন কমাতে সহায়ক: এতে ক্যালোরি খুব কম এবং ফাইবার বেশি থাকে, যার ফলে পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার সমস্যা হয় না।
সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে: ভিনিগার ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, এবং মুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও খুব কম।
লিভার ডিটক্স করে: মুলোতে থাকা সালফার যৌগ এবং ভিনিগারের অম্লীয় প্রকৃতি লিভার পরিষ্কার করতে এবং টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: মুলোতে থাকা ভিটামিন C এবং ভিনিগারের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়: এর নিয়মিত সেবনে ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল হয় কারণ এটি শরীরকে ডিটক্স করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। সতর্কতা আপনার যদি অ্যাসিডিটি বা পেটে জ্বালার সমস্যা থাকে, তবে সীমিত পরিমাণে ভিনিগারে ভেজানো মুলো খান। পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখতে এটি সবসময় কাঁচ বা মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করুন।
স্বাস্থ্যের কথা: ভিনিগারে ভেজানো মুলো স্বাদ এবং স্বাস্থ্যের এক চমৎকার মিশ্রণ। এটি হজমশক্তি ঠিক রাখে, ওজন কমাতে সাহায্য করে, সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যদি এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হয়, তবে শীতকালে এটি শরীরের জন্য একটি টনিকের মতো কাজ করে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


