Republic Day 2026 Constitution: প্রজাতন্ত্র দিবসেই পথ চলা শুরু! ভারতীয় সংবিধান নিয়ে রইল কিছু দারুণ তথ্য

Republic Day 2026 Constitution Facts: ভারতের সংবিধান শুধু একটি আইনগত দলিল নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব, একতা এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি। জানুন এর সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য।

Published on: Jan 26, 2026, 10:06:33 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান - ভারতের সংবিধান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান। এটি ৪৫টি অংশ, २२৯ ধারা, এবং ১২৪০+ উপধারা নিয়ে গঠিত। সংবিধানে মোট ৭৮,00০ শব্দ রয়েছে, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তৃত সংবিধান বানিয়েছে।

প্রজাতন্ত্র দিবসেই পথ চলা শুরু! ভারতীয় সংবিধান নিয়ে রইল কিছু দারুণ তথ্য
প্রজাতন্ত্র দিবসেই পথ চলা শুরু! ভারতীয় সংবিধান নিয়ে রইল কিছু দারুণ তথ্য

ড্রাফটিং কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. বি.আর. আম্বেদকর - ভারতের সংবিধান রচনার জন্য ড্রাফটিং কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. ভূম্বী রামজি আম্বেদকর (Dr. B.R. Ambedkar)। তিনি “ভারতের সংবিধানপিতা” হিসেবে পরিচিত। তার নেতৃত্বে, সংবিধানটি তৈরি হয়েছিল, এবং তিনি সংবিধানের বিভিন্ন অংশের বাস্তবায়ন নিয়ে গভীরভাবে কাজ করেছিলেন।

সংবিধান তৈরিতে সময় লেগেছিল ২ বছর, ১১ মাস, ১৮ দিন - ভারতের সংবিধান তৈরিতে মোট ২ বছর, ১১ মাস, এবং ১৮ দিন সময় লেগেছিল। সংবিধান প্রণয়ন কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৪৬ সালে, এবং এটি ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর অনুমোদিত হয়, তবে কার্যকর হয় ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি।

সংবিধানের মৌলিক অধিকার - ভারতের সংবিধান ৬ মূল মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) নিশ্চিত করে, যার মধ্যে সমান অধিকার, স্বাধীনতা, ধর্মাচরণ, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক অধিকার অন্তর্ভুক্ত। এই অধিকারগুলো দেশের নাগরিকদের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার সুরক্ষা দেয়।

সংবিধানে সমবেত পরিভাষা - ভারতের সংবিধানে মোট 22টি ভাষা (ভাষার তালিকা) রয়েছে যা সংবিধানিক স্বীকৃতি পেয়েছে। হিন্দি ও ইংরেজি দুটি অফিসিয়াল ভাষা, তবে বিভিন্ন রাজ্যের ভাষারও প্রাধান্য রয়েছে। ভারতের সাংবিধানিক ভাষাগুলির মধ্যে বাংলা, তামিল, তেলেগু, গুজরাটি, মারাঠি, উর্দু, পাঞ্জাবি এবং অন্যান্য অনেক ভাষা অন্তর্ভুক্ত।

সংবিধানটি প্রস্তুত হয়েছিল ইংরেজিতে এবং হিন্দিতে - ভারতের সংবিধানটি প্রথমে ইংরেজি ভাষায় লিখিত হয়েছিল, এবং পরে তা হিন্দি ভাষায় অনূদিত হয়।

সংবিধান প্রস্তুত করতে সারা বিশ্বে তথ্য সংগ্রহ - ভারতের সংবিধান রচনার সময়, ভারতীয় নেতারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সংবিধানের উদাহরণ নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। তাদের মধ্যে ছিল যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং সাউথ আফ্রিকা। ভারতের সংবিধানকে "বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সংবিধান" বলা হয় কারণ এটি বিশ্বস্ত এবং দেশীয় প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।

ডকুমেন্টটি হাতে লেখা হয়েছিল - ভারতের সংবিধান প্রণয়নকারী সদস্যরা এটি হাতে লিখেছিলেন। নিউ ডেলিতে, আইকনিক এশিয়াটিক সোসাইটি হল-এ সংবিধানের গাইডলাইনগুলি ৪২ জন সদস্য হাতে লেখা ছিল। এর পৃষ্ঠা সংখ্যাও বিশাল, এবং এটি ছিল একটি অত্যন্ত প্রক্রিয়া-ভিত্তিক কাজ।

অনুচ্ছেদ 51A - নাগরিকের কর্তব্য - ভারতের সংবিধানে অনুচ্ছেদ 51A নাগরিকদের কিছু মুলভূত কর্তব্য নির্ধারণ করে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম থেকে একেবারে অনুপ্রাণিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা, দেশের অখণ্ডতা রক্ষা, ও প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More