Saraswati Puja 2026: পুরোহিত ছাড়াই বাড়িতে সরস্বতী পুজো করতে চান? কীভাবে সব ব্যবস্থা করবেন
যদি নিজেই করতে চান পুজো, তবে এই প্রতিবেদন আপনার জন্য।
ঘরে ঘরে পূজিত হবেন বিদ্যা-বুদ্ধির দেবী। বাড়িতে বাড়িতে সরস্বতী পুজোর আয়োজন। এই প্রতিবেদনে জেনে নিন বাগদেবীর পুজোর নিয়ম ও বিশেষ কিছু মন্ত্র। সরস্বতী পুজোর নিয়ম:

পুজোর প্রস্তুতি:
- সকালে উঠে স্নান সেরে শুদ্ধ বস্ত্র পরুন।
- পুজোর আগে মনের শুদ্ধির জন্য নিম ও হলুদ বাটা মাখতে পারেন।
- পুজোর স্থান পরিষ্কার করে পিঁড়ির ওপর সাদা কাপড় পেতে সরস্বতীর মূর্তি স্থাপন করুন।
পুজোর উপকরণ:
- জলভর্তি ঘট
- আম্রপত্র
- পান পাতা
- হলুদ
- কুমকুম
- চাল
- সাদা ও বাসন্তী রঙের ফুল-মালা
- কুল (প্রধান ফল)
- দোয়াত
- খাগের কলম
- বই
- আমের মুকুল
- পলাশ ফুল
- সঙ্গীত বা নৃত্যশিল্পের সামগ্রী (যদি প্রযোজ্য হয়)
পুজোর পদ্ধতি:
- সরস্বতী পুজোর মন্ত্রপাঠ করুন।
- দেবীকে ভোগ নিবেদন করুন।
- বেলপাতা ও আমপাতা নিবেদন করুন।
- ধ্যান করুন ও দেবীকে স্মরণ করুন।
- প্রণাম করে মুখে প্রসাদ দিয়ে উপবাস ভঙ্গ করুন।
সরস্বতী পুজোর কিছু মন্ত্র:
- স্তব: শ্বেতপদ্মাসনাদেবী শ্বেতপুষ্পোজশোভিতা। শ্বেতাম্বরধরা নিত্যা শ্বেতাগন্ধানুলেপনা। শ্বেতাক্ষসূত্রহস্তা চ শ্বেতচন্দনচর্চিতা। শ্বেতবীণাধরা শুভ্রা শ্বেতালঙ্কারভূষিতা। বন্দিতা সিদ্ধগন্ধর্ব্বৈরচ্চৈর্তা দেবদানবৈঃ। পূজিতা মুনিভিঃ সর্ব্বৈঋষিভিঃ সদা। স্তোত্রেণানেন তাং দেবীং জগদ্ধাত্রীং সরস্বতীম।যে স্মরতি ত্রিসন্ধ্যায়াং সর্ব্বাং বিদ্যাং লভন্তি তে।
- পুষ্পাঞ্জলি: ঔঁ ভদ্রকালৈ নমো নিত্যং সরস্বতৈ নমো নমঃ। বেদ-বেদান্ত বেদাঙ্গ-বিদ্যাস্থানেভ্যঃ এব চ। এষ স-চন্দন বিল্বপত্র পুষ্পাঞ্জলি ঔঁ ঐং শ্রী শ্রী সরস্বতৈ নমঃ।
- প্রার্থনা: ওম যা কুন্দেন্দু তুষারহারধবলা যা শ্বেতপদ্মাসনা, যা বীণাধর-দণ্ড মণ্ডিতভূজা যা শুভ্রাবস্ত্রাবৃতা। যা ব্রহ্মচ্যুত-শঙ্কর-প্রভৃতিভিদেবৈঃ সদা বন্দিতা। সা মাং পাতু সরস্বতী ভগবতী নিঃশেষ জাড্যাপহা। যথা ন দেবো ভগবান ব্রহ্মা তোল পিতামহঃ ত্বাং পরিত্যাজ্য সন্তিষ্ঠেৎ তথা ভব বরপ্রদা। বেদা শাস্ত্রানি সর্ব্বাণি নৃত্যগীতাদিকঞ্চ যৎ। ন বিহীনং ত্বয়া দেবি তথা মে সন্তু সিদ্ধয়ঃ। লক্ষ্মীর্মেধা ধারা পুষ্টিঃ গৌরী তুষ্টিঃ প্রভা ধৃতি। এতাভিঃ পাহি তনুভিরষ্টাভির্ম্মাং সরস্বতী।
- প্রণাম : ওম জয় জয় দেবী চরাচর সারে। কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে। বীণা রঞ্জিত পুস্তক হস্তে ভগবতী ভারতী দেবী নমোস্তুতে। ওম সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমলোলোচনে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাং দেবী নমোস্তুতে।
অন্যান্য নিয়ম:
- পুজোর দিন ভুলেও নখ কাটবেন না, চুল কাটবেন না।
- সেলাইয়ের কাজ করবেন না।
- কাউকে কু-কথা বলবেন না।
- গাছ বা খেতের ফসল কাটবেন না।
- এছাড়াও, জলশুদ্ধি, করশুদ্ধি, আসনশুদ্ধি, পুষ্পশুদ্ধি, দ্বারদেবতা পুজো, সঙ্কল্প ইত্যাদি পুজোর নানা নিয়মের মধ্যে অন্যতম।
পুজোর পর:
পুজোর পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বেলপাতায় খাগের কলম দিয়ে 'ওম সরস্বত্যৈ নমঃ' লিখতে হবে তিনবার।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


