Shol or Snakehead Murrel Fish: শোল মাছ খান? পরের বার খাওয়ার আগে এই মাছ সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন

Shol or Snakehead Murrel Fish: শোল মাছ খেলে কী হয়? শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে? জেনে নিন এখান থেকে।

Published on: Feb 16, 2026, 10:30:15 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাঙালি বাড়িতে নানা ধরনের মাছ খাওয়া চলতেই থাকে। এই মাছের মধ্যে একেবারে প্রথম দিকেই থাকবে শোল মাছ। বহু বাড়িতেই এই মাছ রান্না করা হয়। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না, এই মাছ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে। তাহলে পরের বার খাওয়ার আগে, জেনে নিন এখান থেকে।

শোল মাছ খান? পরের বার খাওয়ার আগে এই মাছ সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন
শোল মাছ খান? পরের বার খাওয়ার আগে এই মাছ সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন

মাছ মানুষের শরীরের জন্য এমনিতেই ভালো। অধিকাংশ মাছের মধ্যেই এমন সব গুণ থাকে, যা বহু ধরনের রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায়। তবে কিছু মাছ, এমনও থাকে, যেগুলি শরীরের ক্ষতি করতে পারে। এবার দেখে নেওয়া যাক, শোল মাছের মধ্যে এমন কী কী বৈশিষ্ট্য এবং উপাদান রয়েছে।

শোল একটি সুস্বাদু মাছ। শোল মাছের দেহ লম্বা ও চাপা আকৃতির হয়। আগে নদী, বিল ও পুকুরে শোল মাছ পাওয়া যেত। তবে বর্তমানে এই মাছের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বাণিজ্যিক ভাবে শোল মাছের চাষ করা হচ্ছে। এবার দেখে নেওয়া যাক, এতে কী কী উপাদান রয়েছে।

১০০ গ্রাম শোল মাছে রয়েছে ৯৪ কিলো ক্যালোরি, ১৬.২ গ্রাম প্রোটিন, ১৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৫ মিলিগ্রাম আয়রন, ৯৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১০৮০ মাইক্রোগ্রাম জিংক। দেখে নেওয়া যাক, এই ধরনের উপাদান থাকার ফলে শোল মাছ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে।

শোল মাছ শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৃদ্ধি করে। সাধারণভাবে মাছ হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস। শোল মাছ মিষ্টি জলের মাছ যা অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ফ্যাটি অ্যাসিড লাইপোফিলিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি উৎপাদন করে। এগুলি কার্যকর ভাবে ওমেগা ৩-এর অক্সিডেশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। সব মিলিয়ে শরীর দূষণ মুক্ত হয়, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে এই মাছ খেলে।

শোল মাছে উচ্চ পরিমাণে অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। এর মধ্যে বিশেষ করে গ্লাইসিন এবং অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড পাওয়া যায়। এই দু’টি ক্ষতিগ্রস্থ টিস্যুতে কোলাজেন সংশ্লেষণ এবং পুনরায় এপিথেলিয়ালাইজেশন শুরু করে শরীরের ক্ষত নিরাময়কে উন্নীত করে। তাই গর্ভাবস্থার পরে ক্ষত নিরাময়ের জন্য এই মাছ খেতে বলা হয়। যাঁরা চোট আঘাত পেয়েছেন, তাঁরা এই মাছ খেলে উপকৃত হতে পারেন।

শোল মাছ পেটের সমস্যা কমাতে কাজে লাগে। বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা এই মাছ খেলে উপকৃত হতে পারেন। এছাড়াও এজজিমার মতো চর্মরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় শোল মাছ। শোল মাছ খেলে ব্যাথা জ্বালা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই শোল মাছ সারা পৃথিবীর লোক বাতের ব্যাথার উপশমের জন্য ব্যবহার করেন।

শোল মাছের ত্বকের নির্যাস সেরোটোনার্জিক রিসেপ্টর নামক উপাদান পাওয়া যায়। এটি অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট হিসেবে স্নায়বিক কাজ করে। শরীর অসুস্থ হলে দুর্বলতা দূর করে শক্তি অর্জন করতে শোল মাছের পুষ্টিগুণ অনেকাংশে কার্যকরী।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More