Smoking with Hot Tea: গরম চা খেতে খেতে ধূমপান করছেন? বিরাট বিপদ ডেকে আনছেন

চা খেতে খেতে সিগারেট বা বিড়ি খেলে ক্যানসারের আশঙ্কা মারাত্মক বেড়ে যায়। কেন জানেন?

Published on: Jan 30, 2026, 11:53:54 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অনেকেই আছেন যাঁদের চায়ের সঙ্গে ধূমপান করার মতো বদ অভ্যাস রয়েছে। এতে সিগারেট এবং চা খাওয়ার মজা দ্বিগুণ বেড়ে যায়, এমনটাই ধারণা তাঁদের। কিন্তু এই অভ্যাস আপনার জন্য কত বড় ক্ষতি ডেকে আনছে, সে সম্পর্কে অনেকেই অবগত নন।

গরম চা খেতে খেতে ধূমপান করছেন? বিরাট বিপদ ডেকে আনছেন
গরম চা খেতে খেতে ধূমপান করছেন? বিরাট বিপদ ডেকে আনছেন

এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বা কফির সঙ্গে একটি সিগারেট বা একটি বিড়ি। ব্যস্ততার ফাঁকে অনেকেরই এভাবে কাটে। অথবা পাড়ার মোড়ে চায়ের দোকানে প্রায়ই এমন চিত্র ধরা পড়ে। বিষয়টি ক্ষণিকের আরাম দিলেও আদপে নাকি বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। সম্প্রতি হওয়া এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, যাঁরা নিয়মিত ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাঁদের গরম চা খাওয়া এড়িয়ে যাওয়া উচিত। সম্প্রতি ~অ্যানলস অব ইন্টার্নাল মেডিসিন’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান ও মদ্যপান করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান করাটা খাদ্যনালীর ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

বিজ্ঞানীদের মত, ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস না থাকলে শুধু চা পান করা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। ৩০ বছর থেকে ৭৯ বছর বয়সী সাড়ে ৪ লাখ ব্যক্তির উপরে করা সমীক্ষা থেকে গবেষকরা ভয়াবহ এই তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।

ধূমপান, মদ্যপান এবং চা পান অভ্যাসের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল এই গবেষণার জন্য। গবেষণার শুরুতে তাঁদের কারও ক্যাসনার ছিল না। এই সাড়ে ৪ লাখ মানুষের তথ্য নেওয়া হয় ৯ বছর ধরে। তাঁদের মধ্যে ১৭৩১ জনের ইসোফ্যাজিয়াল বা খাদ্যনালীর ক্যানসার দেখা দেয় ওই সময়ের মধ্যে। যাঁরা অতিরিক্ত গরম চা পান বা মদ্যপান করেন এবং পাশাপাশি ধূমপান করেন, তাঁদের ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি পাঁচগুণ বেশি। এমনই বলেছেন বিজ্ঞানীরা।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More