Papaya Side Effects: পেঁপে সকলের জন্য ভালো নয়, ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ, কারা এই আনাজটি কখনও খাবেন না
পেঁপে খুবই উপকারি একটি আনাজ। কিন্তু সকলের জন্য এই ফলটি ভালো নাও হতে পারে।
পেঁপে খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। যাঁরা পেটের নানা সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এতে পেট ঠান্ডা হয়, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।

কিন্তু পেঁপে সকলের জন্য মোটেই ভালো নয়। তা সে পাকা পেঁপে হোক, কিংবা কাঁচা পেঁপে রান্না করাই হোক, কারও কারও ক্ষেত্রে এই পেঁপে নানা জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে।
কারা পেঁপে এড়িয়ে চলবেন? কারাই বা পেঁপে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন? রইল তালিকা।
- অন্তঃসত্ত্বারা: সন্তানসম্ভবাদের পেঁপে খাওয়া উচিত নয়। কারণ এর কিছু উপাদান ভ্রুণের ক্ষতি করতে পারে। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট সময়ের আগে সন্তানের জন্মও হয়ে যেতে পারে পেঁপে খেলে। তাই চিকিৎসকরা এটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।
- কিডনির সমস্যায়: যাঁরা ইতিমধ্যেই কিডনির সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা পেঁপে খাবেন না। এর ক্যালসিয়াম অগজালেট কিডনি স্টোনের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। ফলে সমস্যা হতে পারে।
- অ্যালার্জি হতে পারে: পেঁপের কিছু উপাদান কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জির আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এটি খেলে হাঁচি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা হতে পারে। এমন লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই এড়িয়ে চলুন পেঁপে।
- জন্ডিস এবং হাঁপানি: যাঁদের এই সমস্যা দু’টি আছে, তাঁরা পেঁপে এড়িয়ে চলুন। কারণ পেঁপের বিটা ক্যারোটিন এই দু’টি সমস্যার পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়।
- রক্তচাপের সমস্যা: রক্তচাপের সমস্যা থাকলে পেঁপে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ পেঁপে আচমকা রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে, কমিয়ে দিতে পারে হৃদযন্ত্রের গতিও। ফলে যাঁরা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ওষুধ খান, তাঁদের বিপদ হতে পারে বেশি পেঁপে খেলে। তাই এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই পেঁপে খান।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


