তেলাপিয়া মাছ খান? তাহলে পরের বার বাজার থেকে কেনার আগে অবশ্যই পড়ুন এই লেখাটি
Tilapia Fish: তেলাপিয়া মাছ খেলে কী হয়? এটি শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে? পরের বার এই মাছ খাওয়ার আগে ভালো করে জেনে নিন।
তেলাপিয়া জনপ্রিয় মাছ। এটি দামে সস্তা, রান্না করা সহজ এবং এতে কাঁটাও বেশ কম। তাই এই মাছ অনেকেই খান। অনেকে মনে করেন, এই মাছে অনেক গুণ। তবে কারও কারও আবার ভিন্ন মতও আছে। আসলে বিষয়টি কী? পরের বার তেলাপিয়া কিনতে যাওয়ার আগে ভালো করে জেনে নিন।

তেলাপিয়া শুধু পুকুরে হয়, এমন নয়। এখন এই খামারে চাষ করা হয়। হালে এই মাছের জনপ্রিয়তা ব্যাপক বেড়ে যাওয়াও বহু মৎসজীবী এই মাছের চাষ করেন। কিন্তু এটি খেলে কী হয়? শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে এর। দেখে নেওয়া যাক।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রাকৃতিক উপায়ে পুকুরে জন্মানো তেলাপিয়া মাছ খুবই উপকারী হতে পারে। এতে নানা ধরনের গুণ থাকে। কিন্তু এখন বাজারে যে তেলাপিয়া পাওয়া যায়, তার অধিকাংশই ভেরিতে চাষ হওয়া। এতে কী ধরনের উপাদান থাকে, একবার দেখে নেওয়া যাক।
তেলাপিয়া মাছ যেখানে চাষ করা হয়, সেখানে খাবার হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যা দেওয়া হয় তা হলো, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা। এই খাবার খেয়ে রোগজীবাণু শরীরে বয়ে বেড়ায় তেলাপিয়া। এই ধরনের তেলাপিয়া খেলে হৃদরোগ, থেকে হাঁপানির মতো সমস্যা হতে পারে অনেকের। এসব তেলাপিয়া খাওয়া মানেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও বেড়ে যাওয়া। এমনই মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। তবে বিষয়টি আরও একটি তলিয়ে জানা দরকার।
এই মাছে এমনিতে প্রোটিনের মাত্রা খুব বেশি থাকে না। এতে ডিবুটাইলিন নামের এক প্রকার রাসায়নিক জমা হয়। এটি হাঁপানি, মেদ ও অ্যালার্জির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ ছাড়া এদের শরীরে ডাই-অক্সিন নামের আরও একটি উপাদান থাকে। এটিও শরীরের জন্য ভালো নয়। চিন্তার বিষয় হল, ভেরিতে চাষ হওয়া তেলাপিয়ায় মুক্ত জলের তেলাপিয়ার চেয়ে ডাইঅক্সিনের মাত্রা ১১ গুণ বেশি।
তাহলে বিষয়টি কী দাঁড়াল? বিজ্ঞানীদের মতে, ভেরিতে চাষ হওয়া তেলাপিয়ার চেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে জন্মানো পুকুরের তেলাপিয়া ভালো। ভেরির তেলাপিয়া থেকে নানা ধরনের রোগ ছড়াতে পারে। সব মিলিয়ে এই ধরনের মাছ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


