তেলাপিয়া মাছ খান? তাহলে পরের বার বাজার থেকে কেনার আগে অবশ্যই পড়ুন এই লেখাটি

Tilapia Fish: তেলাপিয়া মাছ খেলে কী হয়? এটি শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে? পরের বার এই মাছ খাওয়ার আগে ভালো করে জেনে নিন।

Published on: Jan 20, 2026 9:56 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

তেলাপিয়া জনপ্রিয় মাছ। এটি দামে সস্তা, রান্না করা সহজ এবং এতে কাঁটাও বেশ কম। তাই এই মাছ অনেকেই খান। অনেকে মনে করেন, এই মাছে অনেক গুণ। তবে কারও কারও আবার ভিন্ন মতও আছে। আসলে বিষয়টি কী? পরের বার তেলাপিয়া কিনতে যাওয়ার আগে ভালো করে জেনে নিন।

তেলাপিয়া মাছ খান? তাহলে পরের বার বাজার থেকে কেনার আগে অবশ্যই পড়ুন এই লেখাটি
তেলাপিয়া মাছ খান? তাহলে পরের বার বাজার থেকে কেনার আগে অবশ্যই পড়ুন এই লেখাটি

তেলাপিয়া শুধু পুকুরে হয়, এমন নয়। এখন এই খামারে চাষ করা হয়। হালে এই মাছের জনপ্রিয়তা ব্যাপক বেড়ে যাওয়াও বহু মৎসজীবী এই মাছের চাষ করেন। কিন্তু এটি খেলে কী হয়? শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে এর। দেখে নেওয়া যাক।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রাকৃতিক উপায়ে পুকুরে জন্মানো তেলাপিয়া মাছ খুবই উপকারী হতে পারে। এতে নানা ধরনের গুণ থাকে। কিন্তু এখন বাজারে যে তেলাপিয়া পাওয়া যায়, তার অধিকাংশই ভেরিতে চাষ হওয়া। এতে কী ধরনের উপাদান থাকে, একবার দেখে নেওয়া যাক।

তেলাপিয়া মাছ যেখানে চাষ করা হয়, সেখানে খাবার হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যা দেওয়া হয় তা হলো, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা। এই খাবার খেয়ে রোগজীবাণু শরীরে বয়ে বেড়ায় তেলাপিয়া। এই ধরনের তেলাপিয়া খেলে হৃদরোগ, থেকে হাঁপানির মতো সমস্যা হতে পারে অনেকের। এসব তেলাপিয়া খাওয়া মানেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও বেড়ে যাওয়া। এমনই মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। তবে বিষয়টি আরও একটি তলিয়ে জানা দরকার।

এই মাছে এমনিতে প্রোটিনের মাত্রা খুব বেশি থাকে না। এতে ডিবুটাইলিন নামের এক প্রকার রাসায়নিক জমা হয়। এটি হাঁপানি, মেদ ও অ্যালার্জির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ ছাড়া এদের শরীরে ডাই-অক্সিন নামের আরও একটি উপাদান থাকে। এটিও শরীরের জন্য ভালো নয়। চিন্তার বিষয় হল, ভেরিতে চাষ হওয়া তেলাপিয়ায় মুক্ত জলের তেলাপিয়ার চেয়ে ডাইঅক্সিনের মাত্রা ১১ গুণ বেশি।

তাহলে বিষয়টি কী দাঁড়াল? বিজ্ঞানীদের মতে, ভেরিতে চাষ হওয়া তেলাপিয়ার চেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে জন্মানো পুকুরের তেলাপিয়া ভালো। ভেরির তেলাপিয়া থেকে নানা ধরনের রোগ ছড়াতে পারে। সব মিলিয়ে এই ধরনের মাছ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।