টমেটো আর শসা একসঙ্গে খাচ্ছেন? এর ফলে কী কী হতে পারে জানেন
স্যালাডে অনেকেই একসঙ্গে টমেটো আর শসা খান। কিন্তু একসঙ্গে এই দু’টি জিনিস খাওয়া মোটেই ভালো কথা নয়।
শসা এবং টমেটো। দুটোই শরীরের জন্য অত্যন্ত ভালো। দুটোই প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরা। আলাদা আলাদা করে খেলে, এগুলি শরীরের নানা উপকার করে। কিন্তু একসঙ্গে খেলে? তাহলেই এগুলি শরীরকে নানা বিপদে ফেলতে পারে। তেমনই বলছেন বিজ্ঞানীরা।

নিমন্ত্রণ বাড়িতে ভারী খাবার খাওয়ার আগে অনেকেই শসা এবং টমেটোর স্যালাড খান। অনেকে বাড়িতেও নিয়মিত এই জাতীয় স্যালাড করে নেন। কিন্তু জানেন কি এটি বিপদ ডেকে আনতে পারে?
শসা এবং টমোটো একসঙ্গে খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
- শসা হজমে সাহায্য করে। কিন্তু টমেটোর সঙ্গে খেলে সেই শসাই হয়ে দাঁড়ায় হজমের শত্রু। তখন বদহজম ঘটানোর মতো কাণ্ড করতে থাকে এটি।
- টমেটোয় বহু ধরনের পুষ্টিগুণ থাকে। তাই এটি ধীরে ধীরে হজম হয়। কিন্তু শসা আবার হজম হয় দ্রুত। তাই এই দু’টি একসঙ্গে খেলে টমেটোর অনেকখানি পুষ্টিগুণের অপচয় হয়।
- শসা এবং টমেটো একসঙ্গে পেটে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। পেটব্যথা, তা থেকে মাথাব্যথার মতো সমস্যাও হতে পারে।
টমেটো ভিটামিন সি-তে ভরপুর। শসায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা টমেটোর এই ভিটামিন সি-র সঙ্গে বিক্রিয়া করে। বিক্রিয়ার ফলে এমন কিছু উপাদান তৈরি হয়, যা পাকস্থলীর ক্ষতি করে। চট করে টের পাওয়া না গেলেও, এটি দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকলে পেটের বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে শুধু শসা এবং টমেটো একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়, তাই নয়, আরও বেশ কয়েকটি স্যালাডের উপাদানও একসঙ্গে খাওয়া পেটের পক্ষে ভালো নয়। যেমন দইয়ের সঙ্গে শসা, টমেটো বা পেঁয়াজ মিশিয়ে অনেকে রায়তা বানান। সেটিও পেটের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


