ত্রিফলা খেয়েছেন কখনও? এর সম্পর্কে ৯টি কথা জানলে আজই খাওয়া শুরু করবেন
প্রতিটি ভারতীয় রান্নাঘরের মশলার মধ্যে ত্রিফলার ব্যবহারও হয়। এতে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, নিয়াসিনের মতো উপাদান থাকে। এটি খেলে নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়।
রান্নাঘরের মশলার মধ্যে আপনি নিশ্চয়ই ত্রিফলা দেখেছেন। এটি খাবারে দিলে স্বাদ এবং গন্ধ দুটোই বাড়ে। এটি আমলকী, বহেড়া এবং হরিতকী - এই তিনটি ফল দিয়ে তৈরি। ত্রিফলা সেবন করলে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার পাওয়া যায়। অনেকেই এর চূর্ণও খান। ত্রিফলা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী বলে মনে করা হয়, এটি খেলে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা মেলে। চলুন, এর থেকে প্রাপ্ত উপকারিতাগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. ত্রিফলা খেলে হজমশক্তি শক্তিশালী হয়। এর ফলে পেটের ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা হয় না। এটি অন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং পেটে অ্যাসিডের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
২. ত্বকে কালো ছোপ পড়লে বা পোরস বন্ধ হয়ে গেলে ত্রিফলার গুঁড়োর জল পান করুন। এটি সেবন করলে মুখে উজ্জ্বলতা আসে এবং ত্বক সংক্রান্ত সমস্যা দূর হয়।
৩. যাদের ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন হয়, তাদেরও ত্রিফলা খাওয়া উচিত। এর জলও পান করতে পারেন। এতে পেট পরিষ্কার থাকে এবং ইউরিন ইনফেকশন হয় না।
৪. ত্রিফলাকে শরীরের ডিটক্সিফায়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর জল পান করলে শরীরে জমে থাকা ময়লা বেরিয়ে যায় এবং শরীর ভেতর থেকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার থাকে।
৫. আপনি যদি স্থূলতা নিয়ে চিন্তিত হন, তাহলে ত্রিফলার চূর্ণ বা এর গুঁড়োর জল পান করুন। এতে থাকা ফাইবার ওজন নিয়ন্ত্রণ করে এবং মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. ত্রিফলাকে ইমিউনিটি বুস্টারও বলা হয়। এতে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৭. চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও ত্রিফলার গুঁড়ো উপকারী। এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং ভেতর থেকে চোখ পরিষ্কার করে।
৮. হাড়ের মজবুতির জন্যও আপনি ত্রিফলা খেতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড়কে শক্তিশালী করে। এটি গাঁটের ব্যথা থেকেও মুক্তি দেয়।
৯. শরীরে কোনো ধরনের ফোলাভাব বা প্রদাহ থাকলে ত্রিফলার গুঁড়োর জল পান করুন। এতে শরীরের ফোলাভাব কমে যায়।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


