একটানা টিভি দেখছেন? কত ক্ষণের বেশি টিভি দেখলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে জানেন কি
দীর্ঘ ক্ষণ টানা বসে টিভি দেখলে বাড়ে হৃদরোগের আশঙ্কা। জানেন কি কত ক্ষণের বেশি টিভির সামনে একটানা বসে থাকা উচিত নয়?
সন্ধ্যা হলেই সিরিয়াল চালিয়ে ফেলেন টিভিতে? তার পরে চলতে থাকে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত? এটাই রোজ হচ্ছে? তাহলে জেনে রাখুন, এই অভ্যাস বাড়িয়ে দিচ্ছে হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগের আশঙ্কা। এমনই বলছে হালের গবেষণা। সম্প্রতি গবেষণায় বলা হয়েছে, যাঁরা দীর্ঘ ক্ষণ টানা বসে টিভি দেখেন, তাঁদের রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়।

হালে ইংল্যান্ডের University of Bristol-এর অধ্যাপকরা একটি গবেষণা করেছেন টিভি দেখা নিয়ে। গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে European Journal of Preventive Cardiology নামের জার্নালে। সেখানেই উঠে এসেছে এই তথ্য।
কী কী দেখা গিয়েছে গবেষণায়:
টানা ৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে টিভির সামনে বসে থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা অনেকটা বেড়ে।
যাঁরা রোজ টানা ৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে টিভির সামনে বসে থাকেন, তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা প্রায় ৩৫ শতাংশ বেড়ে যায়।
টিভি দেখার মাঝে ২ ঘণ্টা বা আড়াই ঘণ্টা অন্তর একটু বিশ্রাম নিলে বা হাঁটাচলা করলে এই আশঙ্কা অনেকটা কমে।
গবেষক দলের প্রধান সেটর কুনুটসর জানিয়েছেন, যাঁরা ভাবেন, তাঁরা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন বা হাঁটাহাঁটি করেন বলে তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যা হবে না— তাঁদের ধারণাও ভুল। টানা দীর্ঘ ক্ষণ টিভির সামনে বসে থাকা মানেই বিপদ আসন্ন। রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বহু গুণ বেড়ে যেতে পারে এর ফলে।
এই সমস্যা থেকে বাঁচতে কী করা উচিত?
বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতি ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা অন্তর উঠে দাঁড়ান। একটু হাঁটাহাঁটি করুন।
মাঝের সময়টা টিভি বন্ধ রাখুন। অন্য কোনও দিকে তাকান।
টিভি বন্ধ করে মোবাইল ফোন নিয়ে বসলাম— এটাও যেন না হয়। ওই সময়ে একটু রান্না করুন বা অন্য কোনও কাজ করুন। তাতে এই ঝুঁকি কমবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


