অর্থের টানাটানি আপনার সংসারে! সূর্যাস্তের পর এই ৫ জিনিস লোককে দান করছেন না তো?
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, সূর্যাস্তের পর এই ৫ জিনিস দান করা একেবারেই উচিত নয়। এতে বাড়ির বাড়ির ইতিবাচকতা হ্রাস পায়। এমনকী, সংসারে শুরু হয় আর্থিক টানাটানি।
বাস্তু ও জ্যোতিষশাস্ত্রে সন্ধ্যার পর মেনে চলুন এই টোটকাগুলি। সূর্যাস্তের পর কিছু জিনিস ধার দেওয়া বা দান করা অশুভ বলে মনে করা হয়। বলা হয় এর ফলে হতে পারে আর্থিক ক্ষতি। চলুন কোন জিনিসগুলি কখনোই দান করবেন না-

১. নুন
নুন শনি এবং রাহু গ্রহের সঙ্গে জড়িত। ধার দেওয়া, বা সন্ধ্যার পরে নুন দান করা নেতিবাচক শক্তিকে আকর্ষণ করে। এর ফলে বাড়িতে আর্থিক ঝামেলা এবং মানসিক চাপ হতে পারে। শুধুমাত্র দিনের বেলাতেই নুন দান করুন।
২. চিনি
চিনি শুক্র গ্রহের প্রতীক, যা সুখ এবং জাঁকজমকের সঙ্গে যুক্ত। সন্ধ্যার পর চিনি দান করলে দাম্পত্য জীবনে অর্থের ক্ষতি ও মানসিক চাপ হতে পারে। প্রয়োজন হলে সূর্যাস্তের আগেই চিনি দান করুন। এতে ঘরের সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে এবং নেতিবাচক প্রভাব কমে।
৩. হলুদ
হলুদ বৃহস্পতি গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সমৃদ্ধি, স্বাস্থ্যের প্রতীক হিসাবে বিবেচিত হয়। সন্ধ্যার পরে হলুদ দান করলে সম্পদ এবং স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। সবসময় দিনেরবেলা হলুদ দান করুন।
৪. দই
দইকে শুভ এবং সমৃদ্ধির প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্রে, এটি শুক্র গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত। সন্ধ্যার পরে দই দান করলে অর্থের ক্ষতি হতে পারে এবং পারিবারিক সুখ হ্রাস পেতে পারে। সর্বদা সকালে বা সূর্যাস্তের আগে দই দান করুন। এটি ঘরে ইতিবাচকতা বজায় রাখে এবং সমৃদ্ধি বাড়ায়।
৫. দুধ
দুধ চাঁদের প্রতীক হিসাবে বিবেচিত হয়, যা শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে সংসারে। সন্ধ্যার পরে দুধ ধার দেওয়া বা দান করা পরিবারের ইতিবাচক শক্তি হ্রাস করে। এর ফলে আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও মানসিক অশান্তি দেখা দিতে পারে। প্রয়োজনে সকালে দেবেন। এতে অর্থ ও সমৃদ্ধি আসে সংসারে।
কী কারণ রয়েছে এই নিষেধাজ্ঞার পিছনে?
বাস্তু এবং জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, সন্ধ্যায় নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বৃদ্ধি পায়। এই সময়ে দুধ, দই, নুন, চিনি এবং হলুদের মতো শুভ জিনিস দিলে বাড়ির ইতিবাচকতা হ্রাস পায়। এই জিনিসগুলি সম্পদ, স্বাস্থ্য এবং শান্তির সঙ্গে জড়িত। সূর্যাস্তের আগে এগুলি দান করুন, যাতে সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


