রোদে বেরোচ্ছেন না? এতে বাড়ছে কিছু ক্যানসারের আশঙ্কা, বলছেন চিকিৎসকরা
রোদে না বেরোলে ভিটামিন ডি-এ অভাব হয়। তাতে বাড়ছে ক্যানসারের আশঙ্কা। কী করে এই সমস্যা কমাবেন?
করোনার পর থেকে বেড়ে গিয়েছে বাড়ির ভিতরে সময় কাটানোর পরিমাণ। অনেকেরই অফিসের কাজ চলছে বাড়ি থেকেই। ফলে সব মিলিয়ে প্রয়োজন কমেছে বাইরে বেরোনোর। তার মধ্যে শীতকালে বাইরে বেরোনোর ইচ্ছা আরও কমে যায়। অনেকেরই বিছানা ছাড়তে দেরি হয়। এ সবের মারাত্মক ফল হতে পারে। তেমনই বলছেন চিকিৎসকরা।

কেন সমস্যা হচ্ছে এর ফলে?
রোদ ত্বকে লাগলে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ক্ষরণ হয়। দৈনিক ভিটামিন ডি-এর চাহিদার অনেকটাই পূরণ হয়ে যায় এ থেকে কিন্তু রোদে না বেরোনোর ফলে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হচ্ছে।
এর ফলে কী কী হতে পারে:
- ডায়াবিটিস
- হৃদরোগের সমস্যা
- হাড়ের ক্ষয়
- multiple sclerosis
- এগুলি ছাড়াও কয়েক ধরনের ক্যানসার
ভিটামিন ডি-এর অভাব অনেকেরই নানা ধরনের সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনই বলেছেন দেশের নামজাদা চিকিৎসক অমিত ভার্গব। তাঁ মতে, সব ধরনের ক্যানসারের আশঙ্কা না বাড়লেও, অন্ত্র, পাকস্থলী, প্রস্টেট ক্যানসারের আশঙ্কা এর ফলে বাড়তে পারে।
বিশষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারকে আঠকানোর জন্য শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা আছে। যাকে বলে MMR বা ‘mis-match repair’। জিনের কোথাও কোনও রদবদল দেখলে এই ব্যবস্থাটি সেটি সামলে ক্যানসারকে আটকানোর চেষ্টা করে। এই ব্যবস্থাটির ঠিক করে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি দরকার। আর সেটির অভাব হলেই বাড়ে ক্যানসারের আশঙ্কা।
কী করবেন এই আশঙ্কা কমাতে:
- রোজ সকাল ১০টা থেকে দুুপুর ৩টের মধ্যে কিছুটা সময় রোদে কাটান। ১০ মিনিট থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত রোদে থাকুন।
- মাছ, ডিম জাতীয় খাবার খান।
- নিয়মিত শুকনো ফল খান। এতেও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি কমবে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


