Evening walk benefits: বিকেলে হাঁটলে আদৌ কোনও উপকার আছে নাকি? লিস্টি জানলে হয়তো আপনিও হাঁটবেন রোজ
Evening walk benefits: বিকেলে হাঁটার কি আদৌ কোনও উপকার আছে? বিজ্ঞান বলছে ভুরি ভুরি উপকার আছে বিকেলে হাঁটার। সে লিস্টি জানলে আপনিও হাঁটা শুরু করবেন।
বিকেলে হাঁটলে আদৌ কোনও লাভের লভ হয়? প্রশ্নটা অনেকেরই মনে মাথাচাড়া দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকেলে নিয়ম করে হাঁটলে সত্যিই অনেক উপকার মেলে। উপকারের তালিকা জানলে হয়তো অবাক হবেন।

ঘুম ভালো হয়: বিশেষজ্ঞদের মতে, বিকেলে হাঁটার অভ্যাস বজায় রাখলে রাতে ঘুমটা বেশ ভালো হয়। এতে শরীর খারাপের আশঙ্কাও কমে। রাতের ঘুম কতটা জরুরি, সে আর নতুন করে বলার কিছু নেই। রাতে ঘুম না হলে সারাদিনের কাজেরই বারোটা বেজে যায়।
স্ট্রেস কমে: কাজের চাপে মন খারাপ বেড়ে যায়। একইসঙ্গে বাড়তে থাকে স্ট্রেস। এই স্ট্রেস কমাতেই রোজ নিয়ম করে হাঁটা জরুরি।
মাথা ভালো কাজ করে: অনেকসময় এমন হয় যে মাথা ঠিকমতো কাজ করছে না। মাথা যেন ভার হয়ে আছে। হাঁটলে এই সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন সহজেই।
ওজন কমায়: নিয়মিত হাঁটলে ওজন বাড়ে না। নিয়ন্ত্রণে থাকে শরীরের ওজন। ওজন ঠিক থাকলে অনেক সমস্যাই কিন্তু এড়ানো যায়।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


