Weight Loss Juice: লাল রঙের এই রসে লুকিয়ে রোগা হওয়ার গোপন চাবিকাঠি, দেখুন কীভাবে করবেন তৈরি
শীতে পিছে-পায়েস খাওয়ার কারণে অনেকেই বাড়িয়ে ফেলেন ওজন। এক্ষেত্রে আপনার জন্য উপকারী হতে পারে এই সবজির রস। দেখুন তৈরি করার উপায়।
শীতের সবজি হিসেবে বিট খুব জনপ্রিয়। এই সবজির স্বাস্থ্যউপকারিতা হয়তো গুণে শেষ করা যাবে না। জিংক, আয়রন, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, নাইট্রেট, ফোলেট, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৬সহ প্রচুর ফাইবার রয়েছে এই লাল রঙের সবজিতে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস করে বিটের রস খেলে পাবেন নানা উপকার। দেখে নিন এক নজরে-

বিট রক্তাল্পতার সমস্যায় ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এতে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন ও লোহিত রক্তকণিকা বাড়াতে সাহায্য করে। খাওয়ার সময় বিটের জুসের সঙ্গে ১ চামচ লেবুর রস যোগ করে নিন। লেবুতে বিদ্যমান ভিটামিন সি শরীরে আয়রন শোষণে সাহায্য করে।
বিটে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় তা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। সঙ্গে কোলেস্টেরলের রোগীদের জন্যও খুব উপকারী বিটের রস। এই সবজিতে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
ওজন কমাতে চাইলে বিটের রস পান করুন। এতে ক্যালোরি কম থাকে। তবে পাওয়া যায় মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় সব ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। ভিটামিন সি, ফোলেট, পটাশিয়াম, আয়রন পায় শরীর। সঙ্গে ফাইবার বেশি থাকায় তা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। সঙ্গে বিটের রস প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবেও কাজ করে। দেহ থেকে বের করে দেয় টক্সিন। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে বিট খুব কার্যকরী।
নতুন এক গবেষণালব্ধ রিপোর্ট বলছে, বিটে থাকা নাইট্রেট উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন মানসিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে। যেমন ডিমেনশিয়া, স্মৃতিভ্রংশ ইত্যাদি। খুবই ভালো ফল দিতে পারে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


