How to cook pulses: ডাল তো খাচ্ছেন, কিন্তু ঠিক পদ্ধতিতে খাচ্ছেন কি? জেনে নিন বিশেষজ্ঞের থেকে

ডাল খুবই পুষ্টিকর। কিন্তু তিনটি নিয়ম মেনে ডাল খাওয়া উচিত। সেগুলি কী কী? বলছেন নামজাদা পুষ্টিবিদ।

Published on: Jan 28, 2026, 13:53:46 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ডাল খাওয়া যে খুবই দরকারি, সে কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু ডালের সব পুষ্টিগুণই কি আপনার শরীর পাচ্ছে? নাকি ডাল ঠিক মতো না খাওয়ার ফলে, সেই পুষ্টিগুণের অনেকটাই বাদ পড়ে যাচ্ছে?

ডাল তো খাচ্ছেন, কিন্তু ঠিক পদ্ধতিতে খাচ্ছেন কি? জেনে নিন বিশেষজ্ঞের থেকে
ডাল তো খাচ্ছেন, কিন্তু ঠিক পদ্ধতিতে খাচ্ছেন কি? জেনে নিন বিশেষজ্ঞের থেকে

হালে দেশের নামজাদা পুষ্টিবিদ ডাল খাওয়ার তিনটি নিয়ম বাতলাছেন। এই পদ্ধতিতে ডাল খেলে তার সব পুষ্টিগুণ শরীর পাবে। শুধু তাই নয়, রোজকার দরকারি পুষ্টির অনেকটিই শরীর পেয়ে যাবে ডাল থেকে।

সেই তিনটি পদ্ধতি কী কী? রইল সন্ধান।

ভিজিয়ে রাখুন: রান্না করার আগে ডাল ভালো করে ভিজিয়ে নিন। সম্ভব হলে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে দিন। এতে যদি অঙ্কুর বেরিয়ে যায়, তাহলে সবচেয়ে ভালো। ডালের মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে, যেগুলি শরীরকে ডালের সব পুষ্টিগুণ পেতে বাধা দেয়। ভিজিয়ে রাখা ডাল থেকে ওই উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়। ফলে শরীর বেশি পুষ্টি পায়।

ডালে মিশিয়ে নিন অন্য কয়েকটি জিনিস: এই অন্য জিনিসের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে জোয়ার এবং বাজরা। এগুলি ডালের সঙ্গে মেশালে, এসেনসিয়াল এবং নন-এসেনসিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিডের ভারসাম্য থাকে। তাতে হাড় মজবুত হয় এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।

এক রকমের ডাল নয়: শুধু মুসুর ডাল খাচ্ছেন তো, সেটিই খেয়ে যাচ্ছেন— এমন করবেন না। সব মিলিয়ে ভারতে প্রায় ৬৫০০ রকমের ডাল রয়েছে। তবে এর সবগুলি নিশ্চয়ই সব জায়গায় পাওয়া যায় না। তাঁর মতে, খুব বেশি নয়, মাত্র ৫ রকমের ডাল গোটা সপ্তাহে খেলেই হবে। এমনকী সবই যে ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে হবে, তাও নয়। পাঁপড়, ইডলি, ধোসা, লাড্ডু হিসাবেও নানা রকমের ডাল খাওয়া ভালো।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More