Optical Illusion: কীসের ছবি দেখছেন? মাছ নাকি অন্য কিছু? আপনার উত্তরই বলে দেবে মস্তিষ্কের হাল কেমন
এই ছবিতে কেউ দেখছেন মাছ, কেউ দেখছেন অন্য কিছু। আপনি কী দেখছেন, তা বলে দেবে আপনার মস্কিষ্কের কোন ভাগ বেশি সক্রিয়।
মানুষের মস্তিষ্কের দু’টি ভাগ আলাদা আলাদা ভাবে কাজ করে। কারও ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের ডানদিকের অংশটি বেশি সক্রিয় হয়, কারও বা বাঁদিকের অংশটি। মস্তিষ্কের দু’টি ভাগ দু’ধরনের কাজ করে। কার মানসিকতা কেমন, তার অনেকটাই নির্ভর করে মস্তিষ্কের কোন ভাগটি বেশি সক্রিয়, তার উপর।

হালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ছবি। কেউ বলছেন, ছবিটি একটি মাছের। কেউ বলছেন Mermaid বা মৎসকন্যার। কার মস্তিষ্কের কোন ভাগটি বেশি সক্রিয়, তার উপর নির্ভর করছে এই দু’টির মধ্যে কোনটি তিনি দেখতে পাচ্ছেন।
যাঁদের মস্তিষ্কের ডানদিকের অংশ বেশি সক্রিয়, তাঁরা বেশি পরিমাণে সৃজনশীল হন। কল্পনাশক্তি, শিল্পকলা, সঙ্গীতের বিষয়ে তাঁদের আগ্রহ বেশি হয়। আর যাঁদের মস্তিষ্কের বাঁদিকের অংশ বেশি সক্রিয়, তাঁরা বেশি মাত্রায় বিশ্লেষণধর্মী হন। অঙ্ক, বিজ্ঞান, ভাষা, যুক্তিবিদ্যার প্রতি তাঁদের আগ্রহ বেশি হয়।
এবার দেখে নেওয়া যাক, উপরের ছবিটিতে কী দেখলে, কার মস্তিষ্কের কোন অংশ বেশি সক্রিয় বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। তার আগে ভালো করে দেখে নিন ছবিটি।

এই ছবিটিতে যাঁরা একটি মাছ দেখতে পাচ্ছেন, তাঁদের মস্তিষ্কের ডানদিকের অংশ বেশি সক্রিয়। অর্থাৎ শিল্পকলা, সঙ্গীতের বিষয়ে তাঁদের আগ্রহ বেশি। তাঁধের কল্পনা শক্তিও বেশি।
আর যাঁরা এই ছবিটিতে কোনও মৎসকন্যা অর্থাৎ Mermaid দেখতে পাচ্ছেন, তাঁদের মস্তিষ্কের বাঁদিক বেশি সক্রিয়। অর্থাৎ তাঁরা বেশি বিশ্লেষণধর্মী। অঙ্ক, বিজ্ঞান, ভাষা, যুক্তিবিদ্যার প্রতি তাঁদের আগ্রহ বেশি।
তবে এর পাশাপাশি কয়েক জন এই ছবিতে সিলমাছ এবং গাধার মাথাও দেখতে পেয়েছেন। তাঁধের কল্পনাশক্তি সবচেয়ে বেশি বলে দাবি করা হয়েছে Viral এই Optical Illusion-এ।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


