শিশুদের শরীর ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে কেন? জানলে অবাক হবেন

ঘটনাটি প্রথম দেখা গিয়েছে কানাডায়। কিন্তু অন্য দেশেও এবার একই লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

Published on: Apr 8, 2026, 18:54:31 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

যত দিন যাচ্ছে, ক্রমশ ছোট হচ্ছে সদ্যোজাতদের শরীর। এমনই বলছে হালের পরিসংখ্যান। এর স্পষ্ট কারণ এখনও খুঁজে পাননি চিকিৎসক বা বিজ্ঞানীরা। কিন্তু কয়েকটি কারণ আন্দাজ করেছেন তাঁরা। সেগুলি চিন্তা বাড়িয়েছে সকলের।

শিশুদের শরীর ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে কেন? জানলে অবাক হবেন
শিশুদের শরীর ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে কেন? জানলে অবাক হবেন

বিষয়টি প্রথম টের পাওয়া গিয়েছে কানাডায়। ২০০০ সাল থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সদ্যোজাতদের ওজন নিয়ে একটি সমীক্ষা চালান বিজ্ঞানীরা। প্রায় ৬০ লক্ষ শিশুর জন্মের সময়ে ওজন মেপে তার তালিকা বানানো হয়েছে। দেখা গিয়েছে এই ১৬-১৭ বছরে সদ্যোজাতদের গড় ওজন প্রায় ৭৫ গ্রাম কমে গিয়েছে।

পাশাপাশি গর্ভে এই শিশুদের থাকার সময় আবার কিছুটা বেড়েছে। তাতেও অবাক হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দেখা গিয়েছে সাত-আট শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছে গর্ভের সময়কাল।

কেন এমন হচ্ছে?

স্পষ্ট কারণ না জানতে পারলেও, বিজ্ঞানীরা এই সব শিশুদের বাবা-মায়েদের নিয়েও সমীক্ষা চালিয়েছেন। তাতে দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত শিশুদের বাবা-মায়েদের জন্ম দেশের বাইরে, তাঁদের সন্তানদের জন্মানোর সময়ে আকার কিছুটা ছোট হয়েছে, ওজন কম হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি কারণও পাওয়া গিয়েছে, যে সব মায়েদের কিছু শারীরিক সমস্যা আছে, যাঁদের পুষ্টির সমস্যা আছে, যাঁরা তুলনায় বেশি বয়সে মা হচ্ছেন— তাঁদের সন্তানদের মাপও ছোট হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি মাত্রায় দেখা গিয়েছে প্রথম কারণটিই।

তবে এটি যে শুধু কানাডার সমস্যা নয়, তাও পরিষ্কার। কানাডার দেখাদেখি ২০০০ সালের পরে অন্য কয়েকটি দেশেও একই ধরনের পরিসংখ্যান নেওয়ার কাজ শুরু হয়। সেখানে দেখা গিয়েছে, আমেরিকা, জার্মানি, জাপানেও একই ঘটনা ঘটেছে। সদ্যোজাতদের আকার ক্রমশ ছোট হচ্ছে।

ভবিষ্যতে এর কেমন প্রভাব পড়তে পারে? মানুষের গড় মাপ কি তবে কমে যাবে? এখনও এর কোনও জবাব দিচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তবে মানুষের চেহারায় যে বদল আসতে চলেছে, তার আভাস রয়েছে এই ঘটনায়।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More