Healthy Foods: প্রথম পাতে তেতো? খাবারের শুরুতেই উচ্ছে বা নিমপাতা খেলে কী হয়

Healthy Foods: পাতের গোড়াতেই তেতো পদ দেওয়া হয় কেন?

Published on: Apr 21, 2026 2:50 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Healthy Foods: বাঙালি বাড়িতে দুপুরের খাবারের শুরুতেই তেতো খাওয়ার নিয়ম। শীতকালে নিমপাতা ভাজা, বছরের অন্য সময়ে উচ্ছে ভাজা তো অনেকেই খান। এখন এই সব বাঙালি পদ তুলনায় কম পাওয়া যায়। তবু অনেক বাড়িতে খুঁজলেই এগুলির চল এখনও দেখতে পাওয়া যায়।

প্রথম পাতে তেতো? খাবারের শুরুতেই উচ্ছে বা নিমপাতা খেলে কী হয়
প্রথম পাতে তেতো? খাবারের শুরুতেই উচ্ছে বা নিমপাতা খেলে কী হয়

কিন্তু কেন পাতের গোড়াতেই এই সব তেতো পদ খাওয়ার নিয়ম বহু যুগ ধরে চলে আসছে?

এর পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি। দেখা গিয়েছে, তেতো পেটে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে, তেতোর পর যদি অন্য খাবারগুলি খাওয়া হয়, তাহলে হজমের সুবিধা হয়। এই কারণেই মশলাদার খাবারের আগে তেতো খাবার খাওয়ার নিয়ম চলে আসছে বাঙালি বাড়িতে।

তবে শুধু হজমের সুবিধাই নয়, দেখা গিয়েছে, এই জাতীয় তেতো পদ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে। তাই যাঁদের ডায়াবিটিসের মতো সমস্যা রয়ছে, তাঁরা যদি প্রথম পাতে তেতো কিছু খেয়ে নেন, তাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এই কারণেই খাবারের শুরুতে তেতো কিছু খেতে বলা হয়। কিন্তু তেতো পদ বাদ দিয়ে অন্য ভাজাভুজি জাতীয় খাবার খেলে এই সুবিধা পাওয়া যায় না। বিশেষ করে বিভিন্ন জাতীয় ফ্রাই বা অন্য ভাজাভুজি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, খাবার হজমেও সমস্যা হয়।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More