শীতকালে আমলকি ও কাঁচা লঙ্কার শুকনো তরকারি! স্বাদে অতুলনীয়, বানাবেন কীভাবে?
আমলকি ও কাঁচা লঙ্কা দিয়ে তৈরি এই শুকনো তরকারিটি খুবই সুস্বাদু হয়। পরোটা, রুটি বা পুরির সাথে এটি খেতে দারুণ লাগে, বাচ্চারাও খুব মজা করে খাবে।
শীতের মরসুমে আমলকি না খেলে কি আর চলে! এই ছোট সবুজ ফলটি স্বাস্থ্যের জন্য এক অমূল্য সম্পদ। প্রতিদিন এক থেকে দুটি আমলকি খেলে বাইরের সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন প্রায় ফুরিয়ে যায়। তবে, আমলকির স্বাদ কিছুটা কষা হওয়ায় এর রস বা সালাদ বানিয়ে খাওয়া অনেকের কাছেই কঠিন। সেক্ষেত্রে, আমলকি ও কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে একটি মশলাদার তরকারি বানিয়ে নিতে পারেন। এই শুকনো তরকারিটি সত্যিই খুব সুস্বাদু হয়। পরোটা বা রুটির সাথে বাচ্চারাও এটি খুব আনন্দের সাথে খাবে। এটি প্রায় আচারের মতো লাগে। তাহলে চলুন, ঝটপট এর রেসিপি জেনে নেওয়া যাক।

আমলকির তরকারির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ: আমলকি ও কাঁচা লঙ্কার তরকারি বানানোর জন্য আপনার যে উপকরণগুলির প্রয়োজন হবে সেগুলি হল - আমলকি (১০-১১টি), কাঁচা লঙ্কা (৩-৪টি), আদা, সর্ষের তেল (৩-৪ চামচ), আধ চা চামচ জিরা, আধ চা চামচ সর্ষের দানা, আধ চা চামচ কালো জিরে, আধ চা চামচ মৌরি, হলুদ গুঁড়ো (আধ চা চামচ), ধনে গুঁড়ো (১ চামচ), লঙ্কা গুঁড়ো (১ চামচ), নুন স্বাদমতো, গুড় গুঁড়ো (৩-৪ চামচ) এবং এক চিমটি হিং।
আমলকি ও কাঁচা লঙ্কার মশলাদার তরকারি তৈরির পদ্ধতি: এটি বানানোর জন্য প্রথমে আমলকিগুলিতে কয়েকটি চিরা (কাট) দিয়ে নিন এবং তারপর সেগুলিকে ভাপে সেদ্ধ করতে বসিয়ে দিন। ৮-৯ মিনিট সেদ্ধ করার পর বীজগুলি বের করে আলাদা করে নিন। এবার একটি প্যানে সামান্য সর্ষের তেল গরম করে তাতে হিং, সর্ষের দানা, জিরা, কালো জিরে এবং মৌরি দিয়ে ফোঁড়ন দিন। এরপর কুচানো কাঁচা লঙ্কা মেশান, আদা লম্বা ও সরু করে কেটে দিন এবং সেদ্ধ আমলকি মেশান। সবকিছু এক মিনিট ধরে রান্না করুন। এরপর এতে কিছু সাধারণ মশলা যেমন হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো এবং নুন মেশানোর পালা। সবজিটি ভালো করে নেড়েচেড়ে ৪-৫ মিনিট রান্না করুন। এরপর গুড়ের গুঁড়ো যোগ করুন এবং সবকিছু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। কিছুক্ষণ রান্না করার পর আপনার আমলকি ও কাঁচা লঙ্কার মশলাদার তরকারি তৈরি। গরম গরম পুরির সাথে পরিবেশন করুন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


