World cancer day: মূত্রথলির ক্যানসার টের পাওয়া যায় গোড়াতেই, কী কী লক্ষণ দেখলেই চিকিৎসককে জানাবেন
World cancer day Bladder cancer signs and symptoms help to detect earlier: মূত্রথলির ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীর প্রায় অর্ধেকেরই সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পাওয়ায় মৃত্যু হয়। বিশ্ব ক্যানসার দিবসের আগে এমনটাই জানালেন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ। কী কী লক্ষণ দেখলে আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে, রইল হদিশ।
ফুসফুস ক্যানসারের মতোই মূত্রথলির ক্যানসারের হারও বাড়ছে দিন দিন। বিশ্ব ক্যানসারের দিবসের আগে ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সানি জৈনের কথায়, মূত্রথলির ক্যানসারে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি। তাই আগে থাকতেই এই উপসর্গগুলি নিয়ে সতর্ক হওয়া উচিত।
প্রস্রাবের সময় জ্বালা জ্বালা করলে তা ক্যানসারের উপসর্গ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের কথায়, প্রস্রাবের সময় প্রচণ্ড ব্যথা হলে বা জ্বালা হলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হওয়া ভালো। এই ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
বারবার প্রস্রাবের সমস্যাও ক্যানসারের আরেকটি উপসর্গ। সারাদিনে বিশেষ করে রাতে বারবার প্রস্রাব করার প্রবণতা দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।
প্রস্রাবের সময় ইচ্ছে থাকলেও প্রস্রাব না হওয়াও আরেকটি গুরুতর লক্ষণ। এমন উপসর্গ দেখা দিলে চাপ দিতেও প্রস্রাব ঠিকমতো বার হয় না। এমন সমস্যা দেখা দিলে তা ক্যানসারের ইঙ্গিত হতে পারে।
ক্যানসার কোষের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে কোমরেও ব্যথা হতে থাকে। চিকিৎসকের কথায়, কোমরের দিকে মূত্রথলি থাকে এই সময় ব্যথাটা পিছন দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রস্রাবের সময় মূত্র দিয়ে রক্ত বার হওয়া ক্যানসারের অন্যতম একটি উপসর্গ। সাধারণত মূূত্রের হালকা হলুদ বর্ণের হয়। মূত্রের রং লালচে হলেই সতর্ক হতে হবে।
সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত।
পেশাদার অভিজ্ঞতা:
১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি।
ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা:
গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More