Ghee For Kids: ঘি-এর সঙ্গে মেশান রান্নাঘরের এই মশলা, বাচ্চাকে দিন রোজ! সর্দি-কাশি দূরে পালাবে
বাচ্চার ৬ মাস হওয়ার পর থেকেই তার ডায়েটে ধীারে ধীরে ঘি যোগ করা শুরু করুন। দেখবেন ঠান্ডা লাগার সমস্যা পুরোপুরি গায়েব হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি ও ফ্লু প্রতিরোধ করতে এর জুরি মেলা ভার।
শীত এবার ধীরে ধীরে বিদায় নেওয়ার পালা। তবে এই সময়টায় প্রায় প্রতিটা শিশুই ঠান্ডা লাগার সমস্যায় ভুগে থাকেন। সর্দি-কাশি-কফের সমস্যায় জেরবার হয়ে মাথায় ওঠে নাওয়া-খাওয়া। আবার অনেক বাচ্চা আছে, যাদের আবার একটুতেই ঠান্ডা লাগার ধাত। সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। এই দুই ক্ষেত্রেই বাচ্চাকে দিতে পারেন রোজ ১ চামচ খাঁটি দেশি ঘি, তবে সঙ্গে মেশাতে হবে লবঙ্গ।

ঘি তরল সোনা হিসেবে পরিচিত। দুধ থেকে তৈরি এই খাবারে রয়েছে একগুচ্ছ উপকারিতা। বাচ্চার ৬ মাস হওয়ার পর থেকেই তার ডায়েটে ধীারে ধীরে ঘি যোগ করা শুরু করুন। দেখবেন ঠান্ডা লাগার সমস্যা পুরোপুরি গায়েব হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি ও ফ্লু প্রতিরোধ করতে এর জুরি মেলা ভার। ঘি-তে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই, কে-এর পাশাপাশি ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড।
ঘি-এর উপকারিতা
স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের মধ্যে অন্যতম হল ঘি। ঘিতে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড (CLA) স্বাস্থ্যকর ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
ভিটামিন এ, ডি, ই, কে-তে সমৃদ্ধ ঘি হাড়ের গঠনের ক্ষেত্রে ভীষণভাবে জরুরি। সঙ্গে এটি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্যও খুব সাহায্য করে। দৃষ্টিশক্তির জন্য ঘি-তে থাকা ভিটামিন খুব কার্যকরী।
বাচ্চা প্রতিদিন এক চামচ ঘি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য-সহ সমস্ত হজমের সমস্যা দূর হয়। সঙ্গে এটির শিশুর ক্ষুধাও বাড়ায়। যেই বাচ্চারা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরাও ঘি রাখতে পারে ডায়েটে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও ঘি-এর জুড়ি মেলা ভার। এটি রোজ খাওয়ার অভ্যেস করলে আপনার বাচ্চাকে সংক্রমণ থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করবে। ঘি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস।
কীভাবে দেবেন বাচ্চাকে ঘি?
১ চামচ ঘি একটু গরম করতে নিন। তাতে ১ট লবঙ্গ দেবেন। এবার ঘি গরম হয়ে এলে লবঙ্গটা উঠিয়ে ফেলে দিন। এরপর উষ্ণ অবস্থায় বাচ্চাকে এই ঘি খাওয়ান। একটানা এই ঘি খাওয়ালে দেখবেন আপনার সন্তানের ইমিউনিটি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


